কেন বিরাটকে ইগো ত্যাগ করার পরামর্শ দিলেন কপিল দেব?
ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়কের পদ থেকে বিরাটের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব।
টেস্ট অধিনায়কের পদ থেকে বিরাট কোহলি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানোর পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও বিরাটের এই সিদ্ধান্তের কারণ অজানা। প্রাক্তন থেকে বর্তমান প্রজন্মের বহু ক্রিকেটার বিরাটকে তাঁর অবদানের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার কপিল দেব।

মিড-ডে'কে ভারতেক বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেছেন, "অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর যে সিদ্ধান্ত বিরাট নিয়েছে তাকে আমি স্বাগত জানাই। টি-২০ অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর থেকে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ও। সম্প্রতি বেশ চিন্তিত দেখিয়েছে ওকে, দেখে মনে হচ্ছে অনেক চাপে রয়েছে। তাই চাপমুক্ত হয়ে খোলা মনে খেলার জন্য অধিনায়কত্ব ছাড়াটাই একটা উপায় ছিল।
ও সেটাই বেছে নিয়েছে। এক জন পরিণত মানুষ ও। আমি নিশ্চিত এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ও ভাল মতো ভেবেছে। হয়তো ও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব উপভোগ করছিল না। আমাদের উচিৎ ওকে সমর্থন করা এবং আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা জানানো।"
ভবিষ্যতে নতুন অধিনায়কের অধীনে খেলতে হবে দীর্ঘ সাত বছর ভারতকে টেস্ট ক্রিকেটে নেতৃত্ব দেওয়া কোহলিকে। নতুন অধিনায়কের অধীনে খেলতে বিরাট ইগো সমস্যা পড়তে পারেন বলেও অনেকে মনে করছেন। এই প্রসঙ্গে কেরিয়ারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন কপিল। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে সুনীল গাভাসকরও তাঁর অধীনে খেলেছেন।
একই রকম ভাবে শ্রীকান্থ, আজহারউদ্দিনের নেতত্বেও খেলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, "সুনীল গাভাসকর আমার নেতৃত্বে খেলেছে। আমি কে শ্রীকান্থ এবং আজহারউদ্দিনের নেতৃত্বে খেলেছি। আমার কোনও ইগো ছিল না। বিরাটকেও এই ইগো ত্যাগ করতে হবে এবং একজন তরুণ ক্রিকেটারের অধীনে খেলতে হবে। এটা শুধউ ওকে নয় ভারতীয় ক্রিকেটকেও সাহায্য করবে। বিরাটের উচিৎ নতুন অধিনায়ক এবং নতুন ক্রিকেটারদের গাইড করা। আমরা কোনও ভাবেই ব্যাটসম্যান বিরাটকে হারাতে পারব না।"
রবিবার (১৭ জানুয়ারি) সঞ্জয় মঞ্জরেকর জানিয়েছেন, কেউ অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুযোগ পর্যন্ত পাক এমনটা বিরাট চায়নি। তাই যখন ওর মনে হয়েছে ওর অধিনায়কত্ব সঙ্কটের মুখ রয়েছে, তখনই ও সরে এসেছে বিরাট। আবেগঘন পোস্টে অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে বিরাট জানিয়েছিলেন কোনও একটা সময় সব কিছুকেই থামতে হয়। বিরাটের এই সিদ্ধান্তের পর কম জলঘোলা হয়নি। অনেকেই মেনে নিতে পারেননি এই সিদ্ধান্তকে। আবার বিরাটের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে বিসিসিআই-এর অদৃশ্য হাত এমনটাও মত অনেকের।












Click it and Unblock the Notifications