আইপিএলকেই অগ্রাধিকার, দেশের হয়ে ভরাডুবির কারণে দর্শে বিরাটদের একহাত কপিলের
আইপিএলকেই অগ্রাধিকার, দেশের হয়ে ভরাডুবির কারণে দর্শে বিরাটদের একহাত কপিলের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর থেকে ভারত বিদায় নিতেই গর্জে উঠলেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। তিনি বলেন, "খেলোয়াড়রা যদি দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে আমরা কী বলতে পারি।" উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ভারতের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে আফগানিস্তানকে নিউজিল্যান্ড হারানোর পর। তারপরই সমালোচনায় বিদ্ধ হতে শুরু করেছেন কোহলিরা।

বিশ্বকাপের জন্য পরিবর্ত পরিকল্পনা শুরু করা
কিংবদন্তি অলরাউন্ডার এবং প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করেন, বিসিসিআই এবং ভারতীয় ক্রিকেট দলের উচিত পরবর্তী বিশ্বকাপের জন্য পরিবর্ত পরিকল্পনা শুরু করা। ২০২২ সাল পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঞ্চস্থ হবে। ভারত এবার গ্রুপ লিগেই ছিটকে গিয়েছে। নকআউটের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ বিরাটরা। প্রথমবার আইসিসির ইভেন্টে এমন ঘটল।

এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়
ভারতের এই ব্যর্থতা নিয়ে কপিল দেব বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন। কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের এমন হতাশজনক পারফরম্যান্স হল তা নিয়ে ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কপিল বলেন, এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়। এখনই পরিকল্পনা শুরু করা উচিত ভারতীয় বোর্ডের।

খেলোয়াড়রা এক্সপোজারের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারেনি
কপিল বলেন, এমন নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে বলে ভারতীয় দলের পুরো ক্রিকেটও শেষ। এই ব্যর্থতার পর এখনই পরিকল্পনা করুন। আমি শুধু মনে করি আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে কিছুটা ব্যবধান থাকা উচিত। যাতে দেশের হয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পান ক্রিকেটাররা। আমাদের খেলোয়াড়দের আজ প্রচুর এক্সপোজার রয়েছে। তবে তারা এটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারেনি।

আইপিএল হোক কিন্তু দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে
কপিল এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু ক্রিকেটাররা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলতে পছন্দ করেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করাকে গুরুত্ব দেন না। তাঁর ব্যাখ্যা, বিসিসিআইকে এটি দেখতে হবে। যদিও কপিল জোর দিয়েই জানান, তিনি ক্রিকেটারদের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার ধারণার বিরুদ্ধে নন। তিনি বলেন, আইপিএল হোক কিন্তু দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে।

দেশের হয়ে খেলায় গর্বিত হওয়া উচিত
কপিল বলেন, "খেলোয়াড়রা যখন দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে প্রাধান্য দেয়, তখন তো এটা হওয়াই স্বাভাবিক। খেলোয়াড়দের তাদের দেশের হয়ে খেলায় গর্বিত হওয়া উচিত। আমি তাদের আর্থিক অবস্থা জানি না, তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তবে আমি মনে করি প্রথমে দেশ, তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়া উচিত।

বিশ্বকাপের বিদায় থেকে শিক্ষা নিতে হবে
তিনি বলেন, আমি বলছি না ক্রিকেটাররা ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য ক্রিকেট খেলবেন না। তিনি ক্রিকেট খেলবেন ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য। তবে দায়িত্ব এখন বিসিসিআই-এর ওপর, ক্রিকেটকে আরও ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে হবে। এই টুর্নামেন্টে আমরা যে ভুলগুলো করেছি তার পুনরাবৃত্তি না করাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষা। এই বিশ্বকাপের বিদায় থেকে শিক্ষা নিতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications