Juned Khan: অটোচালক জুনেদ মুম্বইয়ের পেস সেনসেশন, কেকেআরের নেট বোলার নজর কাড়লেন ইরানি কাপে
Juned Khan: আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেট বোলার। তবে ইরানি কাপের আগে অবধি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা ছিল না বছর চব্বিশের জুনেদ খানের।
ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারতের বিরুদ্ধে তাঁকে মুম্বই দলের ক্যাপ দেন অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। দলের আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। এবার লক্ষ্য রঞ্জি ট্রফিতে ভালো বোলিং করা। এমনকী এসে যেতে পারে আইপিএল দলে সুযোগ।

লখনউয়ের থেকে ১২৭ কিলোমিটার দূরে জুনেদের গ্রাম। কৃষক পরিবারের সন্তান জুনেদ মুম্বই গিয়েছিলেন কাজের খোঁজে। আন্ধেরির একটি জিন্স কারখানায় কাজ করতেন সহকারী হিসেবে। এরপর অটো চালাতে থাকেন। ২০১৫ থেকে ২০ ১৮ অবধি অটো চালিয়েছেন।
তবে জুনেদের সুপ্ত বাসনা ছিল জোরে বোলার হওয়ার। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটে তাঁর জীবন অন্য খাতে বইতে শুরু করে ২০১৯ সালে সঞ্জীবনী ক্রিকেট আকাদেমিতে ভর্তি হওয়ার পর। ভারতের বর্তমান সহকারী কোচ অভিষেক নায়ারের নজরে পড়ে যান জুনেদ।
জুনেদ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ক্রিকেটের প্রতি আমার প্যাশন দেখে অভিষেক স্যর অটো চালানো বন্ধ করতে বলেন। ক্রিকেটে ফোকাসড থাকার পরামর্শ দেন। সবরকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। প্রথমে বোলিং স্পাইকওয়ালা জুতো ছিল না। স্পোর্টিং রাবার স্টাডস পরেই বল করতেন জুনেদ।
অটো চালানোর লাইসেন্স ছিল জুনেদের কাছে। মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্ডের আবেদন করার পর কোভিডকাল শুরু হয়। ফলে বছর দুয়েক সব কিছু থমকে গেলেও হাল ছাড়েননি। কলকাতা নাইট রাইডার্সে জুনেদকে নেট বোলার হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন অভিষেক। নিজেকে প্রমাণে প্রত্যয়ী ছিলেন জুনেদ।
কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের টুর্নামেন্ট, বুচি বাবু ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলেছেন। মুম্বইয়ে ক্লাব ক্রিকেটেও ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। অবশেষে মুম্বইয়ের হয়ে খেলতে নেমে স্বপ্নপূরণ। তারপর যখন অবশিষ্ট ভারতের অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের উইকেটটি তুলে নিলেন, তখন কয়েক মুহূর্তের জন্য সব কিছু যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না জুনেদের।
আপাতত জুনেদের ফোকাসে রঞ্জি ট্রফি। এবং অবশ্যই ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে ভারতীয় দলে সুযোগ। মহম্মদ শামির মতো বোলিং করতে চান। ইরানি কাপে মুকেশ কুমারের বোলিং দেখেও অনেক কিছু শিখেছেন জুনেদ। যিনি এখনও থাকেন বান্দ্রায় অটোচালক বন্ধুদের সঙ্গেই।












Click it and Unblock the Notifications