টেস্ট খেলতে মুখিয়ে দল, দেশের হয়ে খেলাই সেরা মোটিভেশন, বললেন ঝুলন
বল হাতে ঝুলন গোস্বামীর দুরন্ত পারফরম্যান্স আর স্মৃতি মান্ধানার ঝোড়ো ব্যাটিং লখনউয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সহজ জয় এনে দিয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে মিতালি রাজের ভারত। দেশের জয়ে ভূমিকা নিতে পেরে গর্বিত ঝুলন গোস্বামী। তিনি বিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারতীয় মহিলা দলের জন্য টেস্ট ম্যাচের ব্যবস্থা করার জন্য।

টেস্ট খেলতে মুখিয়ে
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিসিসিআই ঘোষণা করেছে, চলতি বছরেই ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলবে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক এবং মিতালি রাজের দলের কিংবদন্তি পেসার ঝুলন গোস্বামী বলেন, টেস্ট ম্যাচ খেলতে গোটা দল মুখিয়ে রয়েছে। প্রত্যেকে খুব উত্তেজিত। ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে শেষবার আমরা টেস্টে ইনিংসে হারিয়েছিলাম। তার ছয় বছরের বেশি সময় পর ফের আমরা টেস্ট খেলব। টেস্ট ক্রিকেট বা বড় ফরম্যাটের ক্রিকেট একজন ক্রিকেটারের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সকলেই ভালো খেলার জন্য মানসিকভাবে তৈরি। টেস্ট ক্রিকেট খুব চ্যালেঞ্জিং। মানসিক শক্তির পাশাপাশি শারীরিক শক্তি, সক্ষমতাও টেস্ট ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রতি সেশনেই খেলার মোড় ঘুরে যেতে পারে।

টেস্টে ঝুলন
ভারতীয় দলে টেস্ট খেলার বিষয়ে সবচেয়ে অভিজ্ঞ মিতালি রাজ ও ঝুলন গোস্বামী। দুজনেই দশটি করে টেস্ট খেলেছেন। হরমনপ্রীত, স্মৃতি মান্ধানারা খেলেছেন মাত্র দুটি। টেস্টে ঝুলনের ৪০টি উইকেট রয়েছে। তিনবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। সেরা বোলিং ফিগার ২৫ রানে ৫ উইকেটে। একটি টেস্টে মোট দশ উইকেটও তিনি পেয়েছেন। ২৫.৭২ গড়ে টেস্টে ২৮৩ রান রয়েছে ঝুলনের।

সেরা মোটিভেশন
ঝুলন গোস্বামী বলেন, দেশের হয়ে খেলা সব সময় আমার কাছে সবচেয়ে বড় মোটিভেশন। আমার মনে হয় এর চেয়ে বড় মোটিভেশন আর কিছুই হতে পারে না। নিজের সেরাটা দিতে না পারলে দলে থাকা উচিত নয়। তাই তো টি ২০ ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজেকে ফিট রাখার উপর জোর দিয়েছি। লকডাউনের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম করেছি। পরে অনুশীলনের সময় বাড়িয়েছি। এটা আমার দায়িত্ব, কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।

আজ ম্যাচের সেরা
প্রথম ম্যাচে দুই উইকেট পেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হয়েছিল। যদিও আজ ১০ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন ঝুলন। তিনি বলেন, প্রথম ম্যাচ আমরা খেললাম এক বছর পর। ফলে মানিয়ে নিতে কিছু সমস্যা হয়েছিল। সেদিন দুই প্রান্ত থেকেই বল করেছিলাম। আজও উইকেট থেকে সকালে সহায়তা আদায় করে নিতে পেরেছি। পরের দিকে পিচ পাটা উইকেট হয়ে গিয়েছিল। আমরা সহজেই রান তুলে নিতে পেরেছি। সকালে উইকেটের আর্দ্র ভাব থাকায় বোলারদের সুবিধা হয়েছিল। আসলে যা আমাদের রণকৌশল ছিল তা সঠিকভাবেই প্রয়োগ করতে পেরেছি।
ছবি- বিসিসিআই টুইটার












Click it and Unblock the Notifications