শ্রেয়স ও ঈশান কার সিদ্ধান্তে বোর্ডের চুক্তি থেকে বাদ? জয় শাহ প্রকাশ্যে আনলেন নাম
Jay Shah On BCCI Decision: বোর্ডের ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তি বা সেন্ট্রাল কনট্রাক্ট থেকে বাদ পড়েছেন শ্রেয়স আইয়ার ও ঈশান কিষাণ। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি।
অবশেষে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ জানিয়ে দিলেন, এই সিদ্ধান্ত তিনি নেননি, পদাধিকার বলে প্রয়োগ করেছেন মাত্র। সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান অজিত আগরকর।

জয় শাহ মনে করিয়ে দিয়েছেন, কোনও ক্রিকেটারই অপরিহার্য নন। ঘরোয়া ক্রিকেট বা মূলত রঞ্জি ট্রফিতে খেলার জন্য বিসিসিআই নির্দেশ দিলেও অনীহা দেখিয়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। শ্রেয়স আইয়ার পরে রঞ্জি খেললেও, ঈশান কিষাণ বোর্ডের নির্দেশ অগ্রাহ্য করেন।
শ্রেয়স রঞ্জি সেমিফাইনাল বা ফাইনাল খেললেও যখন চোটের কারণ দেখিয়ে রঞ্জি ম্যাচগুলি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন বিসিসিআই জানতে পেরেছিলেন কেকেআরের অধিনায়ক আইপিএল দলের শিবিরে হাজির ছিলেন। ফলে রঞ্জি খেলেও শাস্তি এড়াতে পারেননি শ্রেয়স।
জয় শাহ বলেন, বোর্ডের সংবিধান অনুসারে আমি দল নির্বাচনী বৈঠকের আহ্বায়ক। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেট না খেলায় যে ২ ক্রিকেটার বোর্ডের চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অজিতই। আমি সেই সিদ্ধান্ত প্রয়োগের দায়িত্বে ছিলাম। এর ফলে আমরা সঞ্জু স্যামসনের মতো ক্রিকেটারদের পেয়েছি। ফলে কেউ অপরিহার্য নন।
শাহ জানান, তাঁর সঙ্গে শ্রেয়স, ঈশানের কথা হয়েছে। হার্দিক পাণ্ডিয়াও বলেছেন, বোর্ড যদি মনে করে আমাকে সাদা বলেই খেলাবে তাহলে আমি বিজয় হাজারে ট্রফি, সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে খেলতে প্রস্তুত। ফলে ভারতীয় দলে সুযোগ পেতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতেই হবে।
শাহ জানান, ঈশান কিষাণকে তিনি কোনও পরামর্শ দেননি। ভালো খেলতে বলেছেন, যেমনটা বাকিদের বলেন। ঈশান ভারতীয় দলে সুযোগ না পেলেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রিল্যাক্সড থেকে খেলতে পারছেন। ভারতীয় দলে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতেও ক্রিকেটারদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
টি২০ বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলে থাকা ক্রিকেটারদের আইপিএলে বিশ্রাম দেওয়ার পক্ষপাতী নন জয়। তাঁর কথায়, আইপিএলে টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি দারুণভাবে সারার সুযোগ রয়েছে। এর চেয়ে ভালো সুযোগ হয় না। জসপ্রীত বুমরাহ এখানে ট্রাভিস হেডকে বল করতে পারছেন। তাতে বোঝা সুবিধা হবে কোথায় বল করা ভালো। তাছাড়া একই দলে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটার থাকার ইতিবাচক দিক রয়েছে। এদিকে, মহিলা ক্রিকেটে জোর দেওয়ার কথা উল্লেখ করে শাহ জানান, মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে দলের সংখ্যা ৫ থেকে বাড়িয়ে ৮ করার পরিকল্পনা আছে।












Click it and Unblock the Notifications