পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে সরে দাঁড়ালেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা, গুরুতর অভিযোগের পাল্টা পদক্ষেপ পিসিবি-র
পাকিস্তানের ফের মুখ পুড়ল। আইএসএলের ধাঁচে পাকিস্তান সুপার লিগ আয়োজন করলেও তা ধারেকাছে আসতে পারেনি বিসিসিআইয়ের টুর্নামেন্টের। এবার পিএসএলে চুক্তিভঙ্গের নয়া বিতর্ক। যার জেরে পিএসএল চলাকালীনই সরে দাঁড়ালেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার জেমস ফকনার। পাল্টা পদক্ষেপে পিসিবি জানিয়েছে, পিএসএলের ড্রাফটে এরপর থেকে আর রাখাই হবে না ফকনারকে।

জেমস ফকনার কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটরসের হয়ে খেলছিলেন। ৬ ম্যাচে ৬টি উইকেট নিয়েছেন, ব্যাট হাতে ৪৯ রানও করেছেন। তবে শেষ তিনটি ম্যাচে তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। ফকনারের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে চুক্তি নিয়ে পিসিবি-র তরফে যে কথাবার্তা হয়েছিল তা একেবারেই মানা হয়নি। উপরন্তু তাঁকে লাগাতার মিথ্যা কথা বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও সেই অভিযোগ খণ্ডন করে পিসিবি জানিয়েছে, ফকনারের আচরণ নিন্দনীয়। অভিবাসন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে ফকনার দুর্ব্যবহার করেন বলেও পাল্টা অভিযোগ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের।

জানা গিয়েছে, ফকনারের অসন্তোষ এতটাই বেড়েছিল যে গতকাল পিসিবি-র এক আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলার সময় উত্তেজিত হয়ে লবি ফ্লোর ব্যালকনি থেকে নিজের হেলমেট ও ব্যাট ছুড়ে ফেলেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হোটেলের ঝাড়বাতি। যদিও হোটেল ছেড়ে বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে ক্ষতিপূরণ মিটিয়েই যান ফকনার। পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের উদ্দেশে টুইট বার্তায় দুঃখপ্রকাশ করে পিসিবি-র উপর ক্ষোভ উগড়ে দেন ফকনার। তাঁর বেতন নিয়েই যে যাবতীয় সমস্যা সে কথা স্পষ্ট উল্লেখ করে ফকনার বলেন, পিসিবি চুক্তিভঙ্গ করেছে। সে কারণেই ২টি ম্যাচ থেকে আমি সরে দাঁড়িয়েছিলাম। আমি পুরো টুর্নামেন্ট খেলতেই এসেছিলাম, কিন্তু পিসিবি লাগাতার মিথ্যাচার করে গিয়েছে।

1/2
— James Faulkner (@JamesFaulkner44) February 19, 2022
I apologise to the Pakistan cricket fans.
But unfortunately I’ve had to withdraw from the last 2 matches and leave the @thePSLt20 due to the @TheRealPCB not honouring my contractual agreement/payments.
I’ve been here the whole duration and they have continued to lie to me.
ফকনার টুইটে আরও লেখেন, তরুণ প্রতিভা ও ক্রিকেট-ভক্তদের কথা ভেবে আমি এখানে খেলতে এসেছিলাম যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অনেক বেশি হয় পাকিস্তানে। কিন্তু যে ব্যবহারের সাক্ষী থাকলাম পিসিবি ও পিএসএল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যা অগৌরবের। পিসিবি পাল্টা কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটরসের সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছে, ফকনারকে ৭০ শতাংশ অর্থ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর এজেন্ট নানা সময় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বদলানোয় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ফকনারের যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। বেতন সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পিএসএলের সাত বছরে কোনও ক্রিকেটার করেননি। তবু ফকনারকে বলা হয়েছিল ভুল বোঝাবুঝি মেটাতে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। এমনকী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও তিনি নিন্দনীয় আচরণ করেন বলে দাবি পিসিবির। বিমানবন্দরেও ইমিগ্রেশনের আধিকারিকদের সঙ্গে ফকনার দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications