James Anderson: জেমস অ্যান্ডারসন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন, অবসর কবে?
James Anderson: ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে আরও এক বর্ণময় অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন জেমস অ্যান্ডারসন।
ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মে হোম সিরিজ খেলেই ক্রিকেটকে আলবিদা জানাচ্ছেন জিমি। তেমনই দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।

চলতি সপ্তাহেই নিউজিল্যান্ড থেকে ইংল্যান্ডে গিয়েছেন টেস্ট দলের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে গলফ খেলেছেন। তারই ফাঁকে তিনি অ্যান্ডারসনকে বলেছেন, ২০২৫-২৬ অ্যাশেজের জন্য দলকে প্রস্তুত করার জন্য সামনের দিকে তাকাতে চান।
টেস্ট ক্রিকেটে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অ্যান্ডারসন ৭০০ উইকেট দখল করেছিলেন ভারত সফরে শেষ টেস্টে। যদিও সেই সিরিজে ৭ ইনিংসে ১১০ ওভারের বেশি বল করেননি তিনি। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও দাগ কাটতে ব্যর্থ হন। চার টেস্টে পান ৫ উইকেট, গড় ৮৫.৪০।
জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। তখন অ্যান্ডারসন ৪২ বছর পূর্ণ করে ফেলবেন। অগাস্টের শেষে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দেশের মাটিতেই তিন টেস্টের সিরিজ রয়েছে ইংল্যান্ডের। যার প্রথমটি হবে অ্যান্ডারসনের হোম গ্রাউন্ড এমিরেটস ওল্ড ট্রাফোর্ডে।
নিজের মাঠে ফেয়ারওয়েল টেস্ট খেলার সুযোগ জিমি পাবেন কিনা তা নিশ্চিত নয় এখনও। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পুরো সিরিজে তাঁকে দলে নাও রাখা হতে পারে বলে খবর। আজ নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জিমি অ্যান্ডারসন জানাতে পারেন। ইসিবি এখনও এই প্রসঙ্গে কিছু বলেনি।
অ্যান্ডারসন এখনও ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে মাঠে নামেননি। গত মাসে তিনি বলেছিলেন, মে মাস শেষের আগে তিনি মাঠে নামবেন না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের জন্য ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করার কারণেই। স্টুয়ার্ট ব্রডের পর অ্যান্ডারসনের অবসর তরুণ সিমারদের জন্য জাতীয় দলের দরজা খুলে দেবে। ব্রাইডন কার্স, জশ টাং, ম্যাট পটস, গাস অ্যাটকিনসন, ম্যাট ফিশার, সাকিব মাহমুদ ও জন টার্নাররা সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই নিজেদের জায়গা পাকা করতে চাইবেন।
উল্লেখ্য, টেস্টে সর্বাধিক উইকেটশিকারীদের তালিকায় মুথাইয়া মুরলীধরন ও শেন ওয়ার্নের পরেই রয়েছেন অ্যান্ডারসন। ২০০৩ সালে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। ১৮৭টি টেস্টে তাঁর ৭০০ শিকার রয়েছে। ১৯৪টি ওডিআইয়ে ২৬৯টি উইকেট পেয়েছেন। ১৯টি টি২০ আন্তর্জাতিকে অ্যান্ডারসনের উইকেট রয়েছে ১৮টি। ২০০৯ সালে শেষবার টি২০ আন্তর্জাতিক খেলেছেন। শেষ ওডিআই খেলেছেন ২০১৫ সালে।












Click it and Unblock the Notifications