মোতেরার মহারনে বিজয় শংকরের তাণ্ডব। কেকেআরের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ফর্মে অবতীর্ণ হলেন তামিল এই অলরাউন্ডার। কিছুটা চাপে পড়ে যাওয়া দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে বার করলেন। সেই সঙ্গে আইপিএলের রেকর্ড বুকেও নাম লিখিয়ে ফেললেন বিজয় শংকর।
ইনিংসের প্রথম দিকে কিছুটা গুজরাতকে চেপে রাখতে পেরেছিল কেকেআর। তবে বেলাশেষে বিজয় শংকরের ব্যাটিংয়ে তছনছ হয়ে গেল নাইটদের বোলিং লাইন আপ। ২৪ পরের ৬৩ রান করলেন বিজয় শংকর। তার ইনিংসে সাজানো ছিল চারটি বাউন্ডারি এবং ৫টি ছক্কা দিয়ে।
শেষ দু ওভারে ১১ বল খেলে করলেন ৪১ রান। ২১ বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন। প্রথম গুজরাত টাইটান্স ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুততম অর্থশতরানের মালিক হলেন বিজয় শংকর। আর আইপিএলের ইতিহাসে তার স্থান চতুর্থ। তার আগে রয়েছেন রাহানে, শার্দুল ঠাকুর,জস বাটলার।
শার্দুল ঠাকুর, উমেশ যাদব, সুনীল নারিনদের বল অবলীলায় মোতেরার মতো বড় মাঠের বাইরে পাঠালেন। একের পর এক সিক্সার হাঁকালেন তামিল এই ব্যাটসম্যান। তার ব্যাটিং বিক্রমের সৌজন্যে আরও একটি নজির তৈরি করল গুজরাত টাইটান্স। আইপিএলে এই প্রথমবার দুশো রানের গণ্ডী পার করল গুজরাত ।
নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৪ রান তোলে গুজরাত টাইটান্স। ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন বিজয় শংকর। এই ম্যাচে অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি গুজরাতের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া । তার পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন রশিদ খান।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রশিদ। গুজরাতের ইনিংসের সূচনা অবশ্য ভালোই করেছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা, শুভমান গিল। তবে ঋদ্ধি ১৭, গিল ৩৯ রানে আউট হন। তবে শেষবেলায় ব্যাট হাতে ঝড় তুলে দিলেন বিজয় শংকর। সাই সুর্দশনও অর্ধ শতরান করেন। তবে সাই ফিল্ডিং করতে নামেননি।