IPL:ইমপ্যাক্টের প্রভাবে সুযোগ বেশি পাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররাই
২০২৩ সালের আইপিএলে নবতম সংযোজন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার। ফুটবল ম্যাচের মতোই এবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলোয়াড় পরিবর্তনের পথে হেঁটেছে বিসিসিআই।এরআগে পরীক্ষামূলকভাবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে এই নিয়মের সূচনা করেছিল বিসিসিআই।সেই নিয়মই পূর্ণতা পেল আইপিএলের মঞ্চে।
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের অর্থ ইনিংসের বিরতিতে একজন খেলোয়াড়কে বসিয়ে তাঁর পরিবর্তে প্রয়োজনমতো অন্য একজন ক্রিকেটারকে ব্যবহার করার নীতি। এবারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ২৪টি ম্যাচ পেরিয়ে গিয়েছে। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের প্রভাব কতটা পড়ল এই টি-টোয়েন্টি লিগে ? তার কারণ বিশ্লেষণে নানা মনির নানা মত।

ঠিক উল্টোটাই আবার করছে প্রথমে বল পেলে।বোলিংয়ের সময় একজন অতিরিক্ত বোলার নিয়ে খেলতে নামছে টিমগুলি। রান তাড়া করার সময় আবার সেই অতিরিক্ত বোলারকে বসিয়ে প্রয়োজনমতো ব্যাটসম্যানকে নিয়ে নিচ্ছে দলগুলি। রণকৌশল কখন হিট করছে আর কখনও ফ্লপ করছে।

যদি কেকেআরের কথাই ধরা যায় ভেঙ্কটেশ আইয়ার ভালো ব্যাটিং করার পরও তাঁকে ফিল্ডিং করতে নামতে হচ্ছে না। তাঁর পরিবর্তে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে কেকেআর অতিরিক্ত বোলার ব্যবহার করছে। একই কথা প্রযোজ্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হ্যারি ব্রুকের ক্ষেত্রেও।
এখনও পর্যন্ত প্রথম ২৪টি ম্যাচে আইপিএলে প্রথম ইনিংসে গড় স্কোর ১৮৩। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম আসায় আরও বেশি করে রান তাড়া করতে পারছে দলগুলি। কেননা তারা অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে পারছে। এর ফলে বড় রানের স্কোর হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রানের লক্ষ্য পূরণ করে ফেলতে পারছে দলগুলি। খুব কাছাকাছি গিয়েই জয় পরাজয় নির্ধারিত হচ্ছে।
এই নিয়ম মূলত দেশীয় ক্রিকেটারদের জন্যই। দলে সর্বোচ্চ চার বিদেশি খেলাতে পারবে এক একটি দল। তাদের একজনকে পরিবর্তন করে অন্য কোনও বিদেশিকে খেলানো যাবে না। একজন ভারতীয়র পরিবর্তে বিদেশি খেলানো যাবে না। একমাত্র দলে যদি ৩ জন বিদেশি থাকে তবেই পরে একজন বিদেশিকে খেলানো যেতে পারে।

ইমপ্যাক্টের আগমনে ভারতীয়দের সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়াটাই হয়তো এই নিয়মের সবথেকে ইতিবাচক দিক।












Click it and Unblock the Notifications