IPL Facts: শোয়েব-ইউনিস থেকে মাশরাফি-আশরাফুল, আইপিএলে ১টির বেশি ম্যাচ খেলেননি অনেক তারকাই
IPL Facts: আইপিএলের আসরে প্রতিভা মেলে ধরে অনেক অখ্যাত ক্রিকেটারই পৌঁছেছেন খ্যাতির শিখরে। আবার বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক তারকাই আইপিএলে তেমন সুযোগ পাননি।
একঝাঁক ক্রিকেটার রয়েছেন যাঁরা আইপিএলে দল পেলেও একটির বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। এই প্রতিবেদন সেই ক্রিকেটারদের নিয়েই।

পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিডস্টার শোয়েব আখতার ছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিরুদ্ধে তিনি ১১ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো ক্রিকেটারদের আউট করেছিলেন। যদিও ফিটনেস, ব্যান-সংক্রান্ত নানাবিধ কারণে এরপর আর আইপিএলের কোনও ম্যাচ খেলতে পারেননি আখতার।
২০০৯ সালে পাকিস্তান টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ইউনিস খানের নেতৃত্বে। ২০০৮ সালে তিনি ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসে। একটিই ম্যাচ খেলেন। ৭ বলে ৩ রান করেছিলেন।
ড্যামিয়েন মার্টিন অস্ট্রেলিয়া দলকে অনেক ম্যাচে জিতিয়েছেন। তিনি ২০১০ সালে আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালস দলে সুযোগ পান। ২৪ বলে ১৯ রান করেছিলেন আইপিএল অভিষেকে। যদিও পরবর্তীকালে তাঁকে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে দেয়। মার্টিনও তাই আইপিএলে একটিই ম্যাচ খেলেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার আরেক প্রাক্তনী ব্র্যাড হ্যাডিন। তিনিও আইপিএলে একটিই ম্যাচ খেলেছেন। ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে। ১১ বলে ১৮ রান করেছিলেন, স্ট্রাইক রেট ১৬৩.৬৪।
বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরফি মোর্ত্তজা। ২০০৯ সালে আইপিএলে তাঁকে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচে তিনি নিজের শেষ ওভারে ২৬ রান দেন। চার ওভারে খরচ করেন ৫৮ রান। এরপর আর সুযোগ পাননি।
বাংলাদেশের আরেক প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আশরাফুল। ২০০৯ সালে তাঁকে নিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কিন্তু তিনি অভিষেক ম্যাচে ১০ বলে ২ রান করেন। এরপর আর সুযোগ পাননি। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার আন্দ্রে নেলের নামও রয়েছে এই তালিকায়। নেল আগ্রাসী বোলিংয়ের পাশাপাশি স্লেজিংয়েও পারদর্শী। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তিনিও আইপিএলে একটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। বল হাতে দাগ কাটতেও ব্যর্থ হন।












Click it and Unblock the Notifications