আইপিএল : এলিমিনেটরে দিল্লি-হায়দরাবাদের লড়াই, কে কোথায় দাঁড়িয়ে
আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে সরাসরি প্রতিযোগিতার ফাইনালে চলে গিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তার প্রতিপক্ষ হওয়ার লড়াই কিন্তু চলছে।
আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে সরাসরি প্রতিযোগিতার ফাইনালে চলে গিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তার প্রতিপক্ষ হওয়ার লড়াই কিন্তু চলছে। আজ বিশাখাপত্তনমে আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দিল্লি ক্যাপিটালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ম্যাচ শুরুর আগে দেখে নেওয়া যাক দুই দলের আইপিএল রেকর্ড, শক্তি ও দুর্বলতা।

আইপিএলে মুখোমুখি দুই দল
এখনও পর্যন্ত আইপিএলের ১৪টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। তার মধ্যে দিল্লি জিতেছে পাঁচ বার এবং হায়দরাবাদের জয়ের সংখ্যা নয়। প্রতিযোগিতার চলতি মরশুমে একে অপরকে একবার করে হারিয়েছে দুই দলই। এলিমিনেটরে সেই টাই ভাঙার খেলা আকর্ষণীয় হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্লে-অফ ভাগ্য
প্রথম ও দ্বিতীয় আইপিএলে সেমিফাইনালে গিয়ে হারতে হয়েছিল দিল্লিকে। ২০১২ সালে প্লে-অফে গেলেও তাদের ট্রফির শিঁকে ছেড়েনি। উল্লেখযোগ্য বিষয়, দ্বিতীয় অর্থাৎ ২০০৯-এ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আইপিএলের সেমিফাইনালে হায়দরাবাদের কাছেই হারতে হয়েছিল রাজধানীর দলকে। সেই হায়দরাবাদ, যারা আজকের এলিমিনেটরেও দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রতিপক্ষ।
হায়দরাবাদ দলের মালিকানার হাতবদল হয়েছে বেশ কয়েকবার। ডেকান চার্জার্স থেকে সানরাইজার্সের সফরে ছ-বার প্লে-অফ খেলার পাশাপাশি দুবার চ্যাম্পিয়ন ও একবার রানার্স হয়েছে এই দল। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এই ম্যাচে কিন্তু সানরাইজার্সদেরই পাল্লা ভারী বলে মনে হচ্ছে অনেকের।

বিশাখাপত্তনমে আইপিএল
এর আগে বিশাখাপত্তনমে আইপিএলের এগারোটি ম্যাচ হয়েছে। প্রথমে ব্যাট করা দল ৬ বার এবং পরে ব্যাট করা দল ৫ বার ম্যাচ জিতেছে। এই মাঠে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (৩) জিতেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদই।

দিল্লি-হায়দরাবাদের শক্তি
আইপিএলের এলিমিনেটর জয়ে জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের ভরসা তাদের ব্যাটিং লাইন-আপ। শ্রেয়স আইয়ার, শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, রিষভ পন্থ, কলিন ইনগ্রামদের আটকানোই হায়দরাবাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে, ভুবনেশ্বর কুমার, রশিদ খান, খলিল আহমেদ, মহম্মদ নবিরা সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে বেশ কয়েকটি ম্যাচ জিতিয়ে দলের ভরসা কুড়িয়েছেন। ব্যাটিঁংয়ের থেকে হায়দরাবাদ দলের বোলিংয়ের গভীরতা অনেক বেশি।

দুই দলের দুর্বলতা
চোটের জন্য হয়তো এই ম্যাচেও খেলতে পারবেন না দক্ষিণ আফ্রিকার পেস ব্যাটারি কাগিসো রাবাদা। সেক্ষেত্রে বোলিং বিভাগ দিল্লি দলকে ভোগাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়ার বিধ্বংসী ডেভিড ওয়ার্নার ও ইংল্যান্ডের বেয়ারস্টো দেশে ফিরে যাওয়ায় হায়দরাবাদের ব্যাটিং যে কিছুটা দুর্বল হয়েছে, তা বলেই চলে।












Click it and Unblock the Notifications