IPL 2025, GT vs MI Turning Point: মুম্বইকে ডোবাল মাঝের ওভারের ব্যাটিং, হার্দিক হাতড়াচ্ছেন টার্নিং পয়েন্ট
IPL 2025, GT vs MI Turning Point: চলতি আইপিএলে জয় অধরা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। হার্দিক পাণ্ডিয়ার দলকে ৩৬ রানে হারিয়ে এবার প্রথম জয়টি ছিনিয়ে নিল গুজরাত টাইটান্স।
দুশোর কমের (১৯৭ রানের) টার্গেট তাড়া করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে। যদিও কাজের ক্ষেত্রে দেখা গেল লক্ষ্যের ধারেকাছে পৌঁছতে পারল না তারা।

শনিবারের জয়ের ফলে ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গুজরাত টাইটান্স চলে গেল পয়েন্ট তালিকার তিনে। নেট রান রেট ০.৬২৫। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শেষ থেকে দুইয়ে। ২ ম্যাচে ২টিতেই হার। হার্দিকের দলের নেট রান রেট মাইনাস (-) ১.১৬৩।
হার্দিক পাণ্ডিয়া ম্যাচের পর ঠিক চিহ্নিত করতে পারেননি কোথায় আসল ভুলটা হলো। হার্দিকের কথায়, আমাদের ফিল্ডিং ভালো হয়নি। তাতে ২০-২৫ রান বেশি হয়েছে। পাওয়ারপ্লেতে গুজরাত টাইটান্সের ওপেনাররা সঠিক কাজ করেছেন। হাই রিস্ক শট না খেলে পর্যাপ্ত রান তুলেছেন। সেটা আমাদের ব্যাকফুটে ঠেলেছে।
SOFT DISMISSAL! 😱
— Star Sports (@StarSportsIndia) March 29, 2025
With #MI skipper #HardikPandya's wicket, is this the match for #GT? 🤔
Watch the LIVE action ➡ https://t.co/VU1zRx9cWp #IPLonJioStar 👉 #GTvMI | LIVE NOW on Star Sports 1, Star Sports 1 Hindi, & JioHotstar! pic.twitter.com/TZJziaFaKN
হার্দিক আরও বলেন, সবে টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। তবে ব্যাটারদের আরও দায়িত্ব নিতে হবে। আশা করি সেটা হবে। উইকেটে বল থমকে আসছিল। তাতে রান করা কঠিন। ব্যাটিংয়ের সময়কার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে গুজরাতের বোলাররা বাজিমাত করেছেন বলে উপলব্ধি হার্দিকের।
গুজরাত টাইটান্স প্রথম ৬ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে তোলে ৬৬। সেখানে মুম্বইয়ের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৪৮। ৭ থেকে ১৫ ওভারে গুজরাত তোলে ২ উইকেটে ৭৪। এখানেও পিছিয়ে মুম্বই (২ উইকেট হারিয়ে ৭০)।
ডেথ ওভারে বা শেষ পাঁচ ওভারে গুজরাত টাইটান্স ৫৬ রান পেলেও ৬ উইকেট হারায়। তাতেই তাদের ২০০-র কমে থামিয়েছিল মুম্বই। শেষ পাঁচ ওভারে মুম্বই তোলে ৪২, ২ উইকেটের বিনিময়ে।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ১১ ওভারের শেষে স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৯৭। সেটাই ১৬ ওভারের শেষে গিয়ে দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১২০। ফলে এই পাঁচ ওভারে মুম্বই তোলে মাত্র ২৩ রান, হারায় তিনটি উইকেট। যার মধ্যে তিলক বর্মা ও সূর্যকুমার যাদব প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর শিকার হন। রবিন মিঞ্জকে ফেরান সাই কিশোর।
উল্লেখ করতে হবে, মহম্মদ সিরাজের কথা। তিনিও পাওয়ারপ্লেতে জোড়া ধাক্কা দেন। রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনকে বোল্ড করে দিয়ে। দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে যে ঝটকা দিয়েছিলেন তা চেষ্টা করেও সামলাতে পারেননি সূর্যকুমার যাদব, তিলক বর্মারা।












Click it and Unblock the Notifications