IPL Retention: কতজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখলে আইপিএল নিলামে হাতে থাকবে কী পরিমাণ অর্থ? জানুন একনজরে
IPL 2025: আইপিএলে রিটেনশন লিস্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। সব দলই বিভিন্ন হিসেবনিকেশ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে।
নিয়ম অনুসারে, মোট ৬ ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যাবে। সরাসরি রিটেনশন অথবা রিটেনশন ও রাইট টু ম্যাচ কার্ডের কম্বিনেশনে। সর্বাধিক ৫ আনক্যাপড ক্রিকেটার থাকতে পারেন রিটেনশন লিস্টে। সর্বাধিক আনক্যাপড থাকতে পারেন ২ জন।

ক্যাপড বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ক্রিকেটারদের দর হবে এই ক্রমানুসারে- ১৮ কোটি, ১৪ কোটি, ১১ কোটি, ১৮ কোটি ও ১৪ কোটি টাকা। আনক্যাপড বা যিনি দেশের হয়ে খেলেননি সেই ক্রিকেটারদের জন্য দর রাখতে হবে ৪ কোটি টাকা।
ধরা যাক, ক্যাপড ২ প্লেয়ার যাঁকে ১৪ কোটি টাকায় রাখার কথা তাঁকে কোনও দল ১৭ কোটি টাকা দিল। সেক্ষেত্রে ওই দলের নিলামের পার্স থেকে অতিরিক্ত ৩ কোটি টাকা কাটা যাবে। ক্যাপড ২ ক্রিকেটারকে তাঁর নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমে ১২ কোটিতে রাখা হয়, তাহলেও দলের ক্ষেত্রে ১৪ কোটি টাকাই কাটা যাবে।
যদি পাঁচজন ক্যাপড ও একজন আনক্যাপড ক্রিকেটারকে ধরে রাখা হয় সেক্ষেত্রে ওই দলের খরচ হবে মোট ৭৯ কোটি টাকা, নিলামে যেতে হবে ৪১ কোটি টাকা নিয়ে। কোনও দল যদি ৪ জন ক্যাপড ও ২ আনক্যাপড ক্রিকেটারকে রাখে তাহলে তাদের খরচ হবে ৬৯ কোটি টাকা (১৮+১৪+১১+১৮+৪+৪)। নিলামের জন্য থাকবে ৫১ কোটি টাকা।
যদি কোনও দল সরাসরি ৬ জনকে ধরে না রেখে আরটিএম কার্ড ব্যবহার করতে চায় তাহলে পরিস্থিতি কী হবে সেদিকে আলোকপাত করা যাক। ৫ ক্যাপড ও একটি আরটিএম কার্ড ব্যবহার করলে খরচ হবে ৭৫ কোটি টাকা, হাতে থাকবে ৪৫ কোটি। চারজন ক্যাপড, একজন আনক্যাপড ও একটি আরটিএম কার্ডের কম্বিনেশনে খরচ ৬৫ কোটি টাকা, নিলামে হাতে থাকবে ৫৫ কোটি টাকা।
চারজন ক্যাপড ক্রিকেটারের পাশাপাশি ২টি আরটিএমে খরচ ৬১ কোটি টাকা, হাতে থাকবে ৫৯ কোটি। তিনজন ক্যাপড, ২ আনক্যাপড ও একটি আরটিএম কার্ডের অপশনে খরচ ৫১ কোটি টাকা, হাতে থাকবে ৬৯ কোটি টাকা।
তিনজন ক্যাপড, ১ জন আনক্যাপড ও ২টি আরটিএম কার্ড ব্যবহারে খরচ ৪৭ কোটি, হাতে থাকবে ৭৩ কোটি টাকা। তিনজন ক্যাপড ও তিনটি আরটিএমে খরচ ৪৩ কোটি, হাতে থাকবে ৭৭ কোটি টাকা। ২ জন করে ক্যাপড ও আনক্যাপড এবং ২টি আরটিএমে খরচ ৪০ কোটি, হাতে থাকবে ৮০ কোটি টাকা।
২ জন ক্যাপড, ১ জন আনক্যাপড ও তিনটি আরটিএম কার্ড ব্যবহারে রিটেনশন খরচ ৩৬ কোটি, হাতে থাকবে ৮৪ কোটি টাকা। ২ জন ক্যাপড প্লেয়ার রেখে চারটি আরটিএম ব্যবহারে ৩২ কোটি টাকা খরচ হবে, হাতে থাকবে ৮৮ কোটি টাকা। ১ জন ক্যাপড, ২ আনক্যাপড প্লেয়ার ধরে রেখে তিনটি আরটিএম কার্ডে খরচ ২৬ কোটি, নিলামে যাওয়া যাবে ৯৪ কোটি টাকা নিয়ে।
১ জন করে ক্যাপড ও আনক্যাপড প্লেয়ার ধরে রেখে নিলামে চারটি আরটিএম কার্ড ব্যবহারে খরচ ২২ কোটি, নিলামে থাকবে ৯৮ কোটি টাকা। ১ জন ক্য়াপড ও পাঁচটি আরটিএমের খরচ ১৮ কোটি টাকা, নিলামের জন্য ঝুলিতে থাকবে ১০২ কোটি টাকা।
২ জন আনক্যাপড রেখে চারটি আরটিএম ব্যবহারে খরচ ৮ কোটি টাকা, হাতে থাকবে ১১২ কোটি টাকা। ১ জন আনক্যাপড রেখে পাঁচটি আরটিএম কার্ড ব্যবহারে খরচ ৪ কোটি টাকা, হাতে থাকবে ১১৬ কোটি টাকা। যদি কোনও দল ক্যাপড ও আনক্যাপড কাউকে না রেখে ৬টিই আরটিএম কার্ড ব্যবহার করতে চায় তাহলে তারা নিলামে যাবে পুরো ১২০ কোটি টাকার ফান্ড নিয়েই।
বিদেশি ক্রিকেটারদের ধরে রাখার জন্য কোনও সীমারেখা নেই। ইচ্ছা হলে শুধু বিদেশিদেরই ধরে রাখতে পারে কোনও দল। যে ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলেননি তেমন প্লেয়াররা থাকবেন আনক্যাপড হিসেবে।
তবে ভারতীয়দের জন্য রয়েছে বিশেষ নিয়ম। যদি কোনও ক্রিকেটার পাঁচ বছর আগে অবসর নিয়েছেন, কিংবা দেশের হয়ে বিগত পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও ম্য়াচে একাদশে না থাকেন এবং বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় বার্ষিক চুক্তিতে এই সময়কালে না থাকেন তাহলে তাঁকে গণ্য করা হবে আনক্যাপড হিসেবে।












Click it and Unblock the Notifications