IPL 2025: একটা ওভারেই বদলে গেল ম্যাচের ভাগ্য! জেনে নিন আরসিবি-দিল্লি ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট
বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়েছিল আরসিবি দল। ঘরের মাঠে জয় অধরাই থাকলো আরসিবির। নিজের ঘরের মাঠে দিল্লিকে জিতিয়ে দিলেন কেএল রাহুল। অনবদ্য পারফরমেন্স করলেন তবে দিল্লির জয় এবং আরসিবি হারের মধ্যে টার্নিং পয়েন্ট কোনটা, তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।
শুরুতেই ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন আরসিবি দুই ওপেনার ফিল সল্ট এবং বিরাট কোহলি। কিন্তু সল্টের আউট হওয়ার পরই আরসিবির রান তোলার গতি স্লথ হয়ে গেল। প্রথমদিকে মনে হয়েছিল বড় রান বলতে পারবে আরসিবি। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সেটা সম্ভব হল না। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৩ রান করল আরসিবি।

জবাবে ব্যাট করতে নেবে শুরুটা ভালো হয়নি দিল্লি দলের। একটা সময় ৫৮ রানে চার উইকেট হারিয়েছিল দিল্লি দল। কিন্তু সেই সময় থেকেই দলের ব্যাটিংয়ে হাল ধরলেন কেএল রাহুল। তবে দিল্লি দলের জয় এতটা সহজ হতো না যদি না ১৫ তম ওভারে জশ হ্যাজলউড হতশ্রী বোলিং করতেন। আরসিবির বোলিংয়ে ১৫তম ওভারে জশ হ্যাজলউডের ২২ রান খরচ করাই ম্য়াচের টার্নিং পয়েন্ট
সেই ওভারে বল করতে এসে অস্ট্রেলিয়ান তারকা বাইশ রান দিলেন। এক ধাক্কায় রান রেট অনেকটাই কমে গেল এবং ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেল আরসিবি। জশ হ্যাজলউডের একটা ওভারই ম্যাচের পার্থক্য করে দিল। ১৪ তম ওভারে ৯৯ রানে চার উইকেট ছিল দিল্লির। সেখান থেকে ১৫তম ওভারে সেটা হলো চার উইকেটে ১২১।
এরপর আর ম্য়াচ জয়ের ক্ষেত্রে কোন বাধাই হয়নি দিল্লি দলের। সহজেই রান তুলে নেয় দিল্লি। ১৭.৫ ও ভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নিল দিল্লি। কেএল রাহুল ৫৩ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে দিলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল সাতটি চার এবং ছয়টি ছক্কা।
ম্যাচ জয়ের পর দিল্লি অধিনায়ক অক্ষর প্য়াটেল বলেন, আমরা প্রথম তিন ম্যাচ জয়ের পরই ভেবেছিলাম এবার চারে চার করাও সম্ভব। আমরা যেটাই করি সেটাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করি। পর পর চার ম্যাচে জয় পেয়ে ভালো লাগছে বিশেষ করে এই উইকেটে।












Click it and Unblock the Notifications