IPL 2025: দিল্লির হারে খলনায়ক স্টার্ক! ঘরের মাঠে গুজরাতের জয়ের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা?
ঘরের মাঠে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় পেল গুজরাত টাইটান্স। এই ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় হাসিল করল শুভমান গিলের দল। ব্যাটে-বলে দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেন বেশ কয়েকজন। দিল্লি দলের হার এবং গুজরাতের জয়ের মধ্যে টার্নিং পয়েন্ট কোনটা, তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।
প্রথমেই আসা যাক গুজরাত দলের বোলিংয়ের কথায়। গুজরাত দলের হয়ে দুরন্ত বোলিং করলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪ ওভারে ৪১ রান খরচ করে ৪ উইকেট নিলেন প্রসিদ্ধ। আউট করলেন করুণ নায়ার, কেএল রাহুল, অক্ষর প্যাটেল , বিপ্রাজ নিগম এই চার গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারকে। তবে রাহুলের আউটটা ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে বিবেচিত হবে। কারণ রাহুল টিকে গেলে স্কোর বোর্ডে আরও রান তুলতে পারত দিল্লি।

দিল্লি দলের কোনও ব্যাটারই বড় রান করতে পারলেন না। দিল্লির ব্য়াটাররা দলের রানকে ২০০-র গণ্ডি পার করে দিলেন। তবে গুজরাতের ব্যাটিংয়ের নায়ক জস বাটলার। একাই দিল্লির জয়ের স্বপ্নে জল ঢেলে দিলেন।
চলতি আইপিএলে শুরু থেকেই বিধ্বংসী ছন্দে আছেন বাটলার। তবে দিল্লির বিরুদ্ধে আগ্রাসী ব্যাটিং করলেন।। ৫৪ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকলেন বাটলার।বিধ্বংসী ছন্দে ব্যাটিং করলেন। যে বোলাররাই এলেন কাউকেউ রেয়াত করলেন না।
শেরফান রাদারফোর্ডের সঙ্গে বাটলারের পার্টনারশিপ তৈরি করলেন বাটলার। এটাও গুজরাতের জয়ের একটা টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে থাকবে। তবে ১৫তম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে টানা পাঁচটি চার মারলেন। ১৪তম ওভার শেষে গুজরাতের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১৩৮, কিন্ত ১৫ ওভার শেষে সেটাই হল ১৫৮। এই একটা জয় অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলল গুজরাত। তুল্যমূল্য বিচারে এটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। কারণ এই ওভারেই দিল্লির হাত থেকে ম্য়াচ পুরোপুরি বেরিয়ে গেল।
ম্যাচ জয়ের পর গিল বলেন, আমরা যেভাবে খেলছিলাম তাতে মনে হচ্ছিল প্রতিপক্ষ দলের স্কোর ২২০ থেকে ২৩০ হবে। কিন্তু বোলারদের কৃতিত্ব দেব কারণ তারা রান ওতটা হতে দেননি। এর আগে ২৪৫ রান তাড়া করেও ১০ রানে হেরেছিলাম। বাটলারের কথা আলাদাভাবে বলতেই হবে, যে শট গুলো খেলেছে তা অসাধারণ। রাদারফোর্ডের সঙ্গে তাঁর জুটি দারুণ ছিল, তাঁরা শুধু আগ্রাসীই খেলেনি হিসেব কষেও খেলেছে।
দিল্লিকে হেলায় হারিয়ে এবার কলকাতায় আসছে গুজরাত দল। সোমবার প্রাক্তন দল কেকেআরের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন গিল।












Click it and Unblock the Notifications