IPL 2025: দুরন্ত বোলিংয়ে ম্যাচের সেরা প্রসিদ্ধ, দখলে বেগুনি টুপি, সাফল্যের রহস্য উন্মোচন শুভমানের
IPL 2025: ৪১০ রান। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে গুজরাত টাইটান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্মিলিত স্কোর এটিই। যা আইপিএলে এই দুই দলের দ্বৈরথে সর্বাধিকও।
সেই ম্য়াচে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৯ রান দিয়ে তুলে নিলেন ২ উইকেট। এই ম্যাচে একাধিক ওভার যে বোলাররা বল করেছেন তাঁদের মধ্যে সেরা ইকনমি (৪.৭৫)।

ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা জুটি দাঁড়িয়ে গেলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এই ম্যাচ যে জিতে নিত না, তা বলা যায় না। সেই বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি ভাঙেন প্রসিদ্ধ। পঞ্চম ওভারে নিজের প্রথম ওভারটি করতে গিয়ে তিনি হেডকে ফেরান, দেন মাত্র ৫ রান।
এই ওভারের দ্বিতীয় বলেই চার মেরেছিলেন হেড। পরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন। দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে তা তালুবন্দি করেন রশিদ খান। জস বাটলারের কথায়, এই ক্যাচই ছন্দ তৈরি করে দিয়েছিল। সপ্তম ওভারে ওঠে ৭ রান, প্রসিদ্ধ দেন ৬ রান। ফলে তাঁর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ২ ওভারে ১১ রান দিয়ে ১ উইকেট।
ত্রয়োদশ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ বল করতে যান। সানরাইজার্স ১টি লেগ বাই-সহ ৪ রান নেয়। প্রসিদ্ধ দেন তিন রান। তিন ওভারের শেষে তাঁর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩ ওভারে ১৪ রান ১ উইকেট। ষোড়শ ওভারের তৃতীয় বলে প্রসিদ্ধ হেইনরিখ ক্লাসেনকে ফিরিয়ে সানরাইজার্সকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন।
সিরাজের মতো প্রসিদ্ধও এদিন ১০টি ডট বল করেছেন। হেডকে ফিরিয়েই বেগুনি টুপি নিশ্চিত করেছিলেন। ক্লাসেনের উইকেট নেওয়ায় চলতি আইপিএলে তাঁর শিকারের সংখ্যা হলো ১৯। দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন জশ হ্যাজলউড।
ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিয়ে প্রসিদ্ধ বলেন, বেগুনি টুপি নিয়ে আলাদা অনুভূতি নেই। জেতাটাই মূল। ঘরের মাঠে জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ। লেংথে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেরে ভালো লাগছে। দলের সকলে পাশে থেকেছেন বলেই আজ এই জায়গায়।
প্র্যাকটিসে যা করেন তাই ম্যাচে করে সাফল্য পাচ্ছেন বলে মন্তব্য প্রসিদ্ধর। তিনি বলেন, প্রথমে ব্যাট করলে দেখি বিপক্ষের বোলাররা কী করছেন। তা নিয়ে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের সঙ্গে কথা বলি। এরপর লক্ষ্য থাকে সঠিক জায়গায় বল ফেলা। ঘরে লাল বলও রাখেন প্রসিদ্ধ। আপাতত ফোকাস আইপিএলে ভালো করা।
গুজরাত টাইটান্সের ব্যাটিংয়ে মাত্র ২২টি ডট বল ছিল। সেখানে ৩৭টি ডট বল করেছেন গুজরাতের বোলাররা। অধিনায়ক শুভমান গিল বলেন, কালো মাটির পিচে খেলা। তাই জানতাম ছয় মারা সহজ হবে না। তা সত্ত্বেও ব্যাটাররা ভালো খেলেছেন। স্কোরবোর্ড সচল রাখাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
গিলের কথায়, আমাদের ফিল্ডিং চলতি মরশুমে ভালো হচ্ছিল না। তবে সানরাইজার্স ম্যাচে ফিল্ডিং ভালো হয়েছে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, ইশান্ত শর্মা, জেরাল্ড কোয়েটজিরা প্রতিপক্ষর কাজ সহজ করে দেন।
আম্পায়ারদের সঙ্গে বারবার তর্ক করা নিয়ে গিল বলেন, অনেক আবেগের মুহূর্ত থাকে। মাঠে ১১০ শতাংশ উজাড় করে দিই। ফলে আবেগের এমন বহিঃপ্রকাশ অস্বাভাবিক নয়।












Click it and Unblock the Notifications