IPL 2025: শশাঙ্ক নন, গুজরাত-পাঞ্জাব দ্বৈরথে ম্যাচের সেরার শিরোপা শ্রেয়সের, জিতে কী বললেন কিংস ক্যাপ্টেন?
IPL 2025, GT vs PBKS: পাঞ্জাব কিংসের জয়ে অধিনায়কোচিত ইনিংস খেললেন শ্রেয়স আইয়ার। তাঁকে ২৬ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনেছে পাঞ্জাব কিংস।
গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে তিনি অপরাজিত থাকেন ৪২ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলে। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও পেলেন।

পাঞ্জাব কিংস ২৪৩ রান তোলার পর জিতল ১১ রানে। এই ম্যাচের আগে অবধি আইপিএলে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ৬টির মধ্যে পাঁচটিতেই জিতেছে রান তাড়া করা দল। সে কারণে ডিউ ফ্যাক্টরের জন্য যত বেশি সম্ভব রান তোলা লক্ষ্য ছিল পাঞ্জাব কিংসের।
শেষ ৮ ওভারে পাঞ্জাব কিংস তোলে ১৩৫ রান। মাত্র ১ উইকেট খুইয়ে। শেষ পাঁচ ওভারে ৮৭, ১টি উইকেটের বিনিময়েই। ১৭তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে ক্লাব স্তরে নামিয়ে তিনটি ছয়ের সাহায্যে ২৪ রান নেন শ্রেয়স আইয়ার। এমনকী নিঃস্বার্থ মানসিকতাও দেখান।
শশাঙ্ক সিং নামার পর তাঁকে শ্রেয়স মোক্ষম পরামর্শ দেন। তাঁর শতরানের হিসেব না কষে চালিয়ে খেলে বড় শট নিতে বলেন শ্রেয়স। শ্রেয়সকে শতরানের সুযোগ করে দিতে ১ রান নিলে তাতে পাঞ্জাবের স্কোর কম হতো। সে কারণেই শ্রেয়স শশাঙ্ককে শতরানের হিসেব না কষতে বলেন।
শশাঙ্ক ১৬ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ ওভারে আসে ২৩ রান। শশাঙ্ক ৬টি চার ও ২টি ছয় মেরেছেন। ফলে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর জন্য শশাঙ্ককে ম্য়াচের সেরার পুরস্কার দিলে ভুল কিছু হতো না। যদিও চতুর্থ ওভারের প্রথম বলের পর নেমে শেষ অবধি থেকে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হন শ্রেয়স। তাঁর স্ট্রাইক রেট ২৩০.৯৫, শশাঙ্কের ২৭৫।
শ্রেয়সের কথায়, অসাধারণ অনুভূতি। প্রথম ম্য়াচে অপরাজিত ৯৭ তৃপ্তিদায়ক। এর চেয়ে ভালো কিছু অনুভূতি হয় না। মানিয়ে নেওয়া দরকার ছিল। প্রথম বলে চার রান পাওয়ায় আত্মবিশ্বাস জোরালো হয়। ফ্লিকে রাবাডাকে ছয় মারা মোমেন্টাম বদলে দেয়। পিচের অতিরিক্ত বাউন্স কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সুবিধা হয়েছে।
শশাঙ্কের ঝোড়ো ইনিংসের প্রশংসার পাশাপাশি শ্রেয়স বলেন, শিশির পড়ায় বুঝছিলাম কাজটা কঠিন হবে। বিজয়কুমার ভিশাক যে পারফরম্যান্স করেছেন তা অনবদ্য। বলে থুতু লাগানোয় রিভার্স স্যুইং করানো গিয়েছে। অর্শদীপ সিংও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। দলগত সংহতিতেই জয় বলে উল্লেখ করেছেন শ্রেয়স।
১৫ থেকে ১৭ ওভারে গুজরাতের রান তোলার গতিতে রাশ টানে পাঞ্জাব। এর মধ্যে ২ ওভারে মাত্র ১০ রান দেন ভিশাক। ব্লকহোল টার্গেট করে ওয়াইড ইয়র্কার করেই বাজিমাত। ডিউ ফ্যাক্টরের সময় এমন বোলিংয়ে বড় শট খেলা কঠিন। স্বাভাবিকভাবেই ভিশাকের পরিকল্পনা হতাশা বাড়াতে থাকে জস বাটলার ও শেরফান রাদারফোর্ডের। নিট ফল ডেথ ওভারের পরিকল্পনামাফিক বোলিংয়েই শেষ হাসি হাসল পাঞ্জাব।












Click it and Unblock the Notifications