IPL 2023: বিরাট কোহলির মতো ফিট থাকতে চান? কী ধরনের খাবার খেতে হবে?
বিরাট কোহলি চলতি আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে তিনটি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দুটিতে জয় এসেছে, আগের ম্যাচে কেকেআরের কাছে বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে পরাস্ত হয়েছে আরসিবি।
সর্বাধিক রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় ফাফ দু প্লেসি (৮ ম্যাচে ৪২২)-র পরেই রয়েছেন কোহলি (৮ ম্যাচে ৩৩৩ রান)। বিরাট কোহলির ফিটনেস অনেকের কাছেই আদর্শ। কিন্তু জানেন কি কিং কোহলির খাদ্যতালিকায় কী কী থাকে?

ভারতীয় ক্রিকেটে ফিটনেসের মানোন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় দলে সুযোগের ক্ষেত্রে ফিটনেসের মাপকাঠিও গিয়েছে অনেক উচ্চতায়। নিজেকে ফিট রাখতে বিরাট ডায়েটের ক্ষেত্রে খুব কড়াকড়ি অবস্থান নিয়েই চলেন। নিজেকে ফিট রাখার ফলে মাঠে বিরাটের এনার্জি লেভেলও বেশি থাকে বলে উপলব্ধি বিশেষজ্ঞদের।
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বিরাট কোহলি ফিল্ডার হিসেবেও অনেকের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন। এক দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রয়েছেন। কিন্তু বড় ধরনের চোটের কবলে পড়তে হয়নি। চোটের কারণে খুব বেশি ম্যাচ মিস করতেও হয়নি। এর অন্যতম কারণ বিরাটের ফিটনেস। তাঁর ডায়েট প্ল্যান। কয়েক বছর ধরে বিরাট সম্পূর্ণ শাকাহারী।

একটি সাক্ষাৎকারে বিরাট জানিয়েছেন, তিনি যে সব খাবার খেয়ে থাকেন তার ৯০ শতাংশই সিদ্ধ বা স্টিমড। নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, লেবুর রস মিশিয়ে তা খেয়ে থাকেন। একদমই খান না মশলাদার খাবার। খাবারের স্বাদ বিরাটের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্যালাড, প্যান-গ্রিলড খাবার জলপাই তেল দিয়ে খেতে ভালোবাসেন।
বিরাট আরও জানিয়েছেন, তিনি মশালাদার তরকারি বা কারি একেবারেই খান না। তবে ডাল খান। পাঞ্জাবি খাবারের লোভ সামলাতে পারেন না বলে রাজমা, লোভিয়া খেয়ে থাকেন। একটা সময় বিরাট খুবই খাদ্যরসিক ছিলেন। খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বাছবিচার করতেন না। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরিণত হয়ে উঠতেই খাওয়াদাওয়ায় রাশ টানেন কিং কোহলি।

২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিরাট জানিয়েছিলেন, তিনি বেশি পরিমাণে খেতেন। অনেক দেরিতে ঘুম থেকে উঠতেন। ১১-১২ কেজি ওজন বেশি ছিল। চেহারা ছিল গোলগাল। তবে একদিন রাতেই ঠিক করেন পরের সকাল থেকে অভ্যাসে বদল আনবেন। প্রতিদিন দেড় ঘণ্টা জিমে কঠোর পরিশ্রম করা শুরু করে দেন। অনেক কিছুই খাওয়া ছেড়ে দেন।
বিরাটের কথায়, জিমে কঠোর পরিশ্রম শুরু করি। গ্লুটেন, গমের তৈরি খাবার, সফট ড্রিঙ্কস, ডেসার্ট- সব কিছু খাওয়া ছেড়ে দেন। প্রথম দু মাস ঘুমোতে যাওয়ার সময় এতটাই খিদে থাকতো যে বেড শিট চিবিয়ে খেতে ইচ্ছা করতো। সুস্বাদু খাবার খেতে ইচ্ছা করতো। যদিও শেষ অবধি লোভ সম্বরণ করতে পারার সুফল হাতেনাতে পান কোহলি।

ফ্যাশন সেন্স নিয়েও মজার কথা জানান কোহলি। তিনি বলেন, আমার কর্ডুরয়, বেল বটম প্যান্ট ছিল। হাই হিলের বুট, এমব্রয়ডারি করা প্রিন্টেড শার্ট পরতাম। সেগুলি পরে নিজেই ভাবতাম দেখতে কেমন লাগছে? নিজেকে স্টাইলিশ বয় বলেই মনে হতো। এখন আগের ছবিগুলো দেখলে তাঁর অস্বস্তিই হয় বলে জানান কোহলি।
আইপিএলের সব খবরের আপডেট, স্কোর, স্ট্যাটিসটিক্স, ছবি, ভিডিও একনজরে












Click it and Unblock the Notifications