আইপিএলে চন্দননগরের অভিষেক পোড়েল, ঋষভ পন্থের পরিবর্ত হিসেবে দিল্লি ক্যাপিটালসে সুযোগ
আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসে বাড়ল বাংলার ক্রিকেটারের সংখ্যা। কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলার কোনও ক্রিকেটারকে নেয়নি। দিল্লি ক্যাপিটালস আগেই নিয়েছিল পেসার মুকেশ কুমারকে। এবার ঋষভ পন্থের পরিবর্ত হিসেবে অভিষেক পোড়েলকে নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

অভিষেক পোড়েল দিল্লি ক্যাপিটালসে
ঋষভ পন্থ গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মাঠের বাইরে। চলতি বছর আদৌ তিনি কামব্যাক করতে পারবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। পন্থের পরিবর্তে আপাতত অধিনায়ক হিসেবে ডেভিড ওয়ার্নারকে বেছে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। কলকাতা ও দিল্লির শিবিরে চলছিল পন্থের বিকল্প উইকেটকিপারের খোঁজ। দেখে নেওয়া হয় শেল্ডন জ্যাকসন, লাভনিত সিসোদিয়া, বিবেক সিংকে। তবে তাঁদের মধ্যে থেকে অভিষেকের নামই চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

নজর কাড়েন ক্যাপিটালস শিবিরে
অভিষেক পোড়েল কলকাতায় দিল্লি ক্যাপিটালসের শিবিরে চোট পেয়েছিলেন। যদিও খুব গুরুতরভাবে জখম হননি। দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর ইনপুটও গুরুত্বপূর্ণ ছিল অভিষেককে নেওয়ার ক্ষেত্রে। এবারের আইপিএলের নিলামের আগে শ্রীকার ভরতকে ছেড়ে দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। ফলে ফিল সল্ট, সরফরাজ খান ও মণীশ পাণ্ডে ছাড়া আর কোনও কিপার নেই দলে।

আপাতত এক মরশুমের জন্য
অভিষেক পোড়েলকে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয় হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের মতামত। সরফরাজ খানের আঙুলে চোট ছিল আগে থেকেই। কিপিং করতে গিয়ে বিপত্তি বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছিল। মণীশ পাণ্ডের কিপিংয়ে খুশি হতে পারেননি পন্টিং। তার উপর নেট প্র্যাকটিস ও প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো পারফর্ম করেই নজর কেড়ে নেন চন্দননগরের অভিষেক পোড়েল। আপাতত তাঁকে পন্থের বদলি হিসেবে এই মরশুমের জন্য নেওয়া হচ্ছে।

ভবিষ্যতেও রেখে দিতে পারে দিল্লি
২১ বছরের কিপারকে গ্রুম করার পরিকল্পনাও রয়েছে ক্যাপিটালসের। দিল্লি ক্যাপিটালসের তরফে জানা যাচ্ছে, অভিষেক পোড়েল দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রথম পছন্দের উইকেটকিপার হিসেবেই থাকছেন। সরফরাজ খানকে ভাবা হচ্ছে দ্বিতীয় পছন্দের উইকেটকিপার হিসেবে। কখনও একই দলে, কখনও বা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও একজনকে উইকেটের পিছনে দাঁড়াতে দেখা যেতে পারে।

একনজরে কেরিয়ার
১৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে পোড়েল ৬৯৫ রান করেছেন, ৬টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। ক্যাচ ধরেছেন ৫৮টি, স্টাম্পিং ৮টি। বাংলার হয়ে তিনটি করে লিস্ট এ ও টি ২০ খেলেছেন। ৫০ ওভারের ম্যাচে একটি অর্ধশতরান রয়েছে। ২টি ক্যাচ নেওয়ার পাশাপাশি ২টি স্টাম্প আউট করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications