ডেভিড মিলারকে আইপিএলের শুরুতে পাচ্ছে না গুজরাত টাইটান্স, সমস্যায় অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিরাও
আইপিএলের শুরুতে অস্বস্তিতে পড়ল গুজরাত টাইটান্স। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের নিয়ে সমস্যায় আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজিও। মিলার আজ স্বীকার করে নিয়েছেন, দেশের হয়ে খেলার জন্য তিনি যে টাইটান্সের হয়ে শুরু থেকে নামতে পারবেন না তা জেনে হতাশ গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। মিলার আইপিএলে গুজরাতের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেও খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

মিলার না থাকায় আপসেট গুজরাত
বিসিসিআই আইপিএলের নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জানিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা শুরু থেকেই থাকতে পারবেন। যদিও বাস্তবে তা হচ্ছে না। বেনোনিতে প্রথম ওডিআই ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে। পরের ম্যাচটি এপ্রিলের ২ তারিখ ভারতীয় সময় বেলা দেড়টায়। ফলে ওই ম্যাচ খেলেও যদি মিলার-সহ বাকিরা বিমান ধরেন তাহলেও ৩ এপ্রিলের আগে তাঁদের কোনওভাবেই এ দেশে পৌঁছনো সম্ভব হবে না। ৩ তারিখ এসে ৪ তারিখ মিলার গুজরাতের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে পারবেন কিনা সেটাও দেখার।

দ্বিতীয় ম্যাচে খেলার প্রত্যয়
মিলার আজ সাংবাদিকদের বলেন, গুজরাত টাইটান্স ফ্র্যাঞ্চাইজি আপসেট হয়ে পড়েছে। চেন্নাইয়ের মতো দলের বিরুদ্ধে আমেদাবাদে খেলা সব সময়ই বড় ব্যাপার। তাও আবার উদ্বোধনী ম্যাচ। আমি মিজেও হতাশ। কিন্তু দেশের জার্সিতে খেলা সব সময় অসাধারণ বিষয় এবং গৌরবের। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এই দুটি ম্যাচে আমাদের ভালো খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে সেরা একাদশ নিয়েই আমরা নামছি। মিলার নিজে অবশ্য দাবি করছেন, গুজরাতের হয়ে একটি ম্যাচেই তিনি খেলতে পারবেন না।

দেশ বনাম ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সংঘাত
৩১ মার্চ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে গুজরাত টাইটান্স খেলবে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে। আমেদাবাদে হবে সেই ম্যাচটি। হার্দিক পাণ্ডিয়াদের পরের খেলা এপ্রিলের ৪ তারিখ। দক্ষিণ আফ্রিকা ৩১ মার্চ ও ২ এপ্রিল নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অসমাপ্ত সিরিজের দুটি একদিনের আন্তর্জাতিক খেলবে। বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য এই সিরিজ প্রোটিয়াদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে শক্তিশালী দল নামানোর সিদ্ধান্তই নিয়েছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা।

বিকল্প নেই ক্রিকেটারদের
গত বছর গুজরাত টাইটান্সকে চ্যাম্পিয়ন করানোর পিছনে বড় অবদান ছিল ডেভিড মিলারের। তিনি ১৬টি ম্যাচে ৯ বার অপরাজিত থেকে ৪৮১ রান করেছিলেন। ২টি হাফ সেঞ্চুরি করেন। আইপিএলে তাঁর একটি শতরানও রয়েছে। গত বছর বাংলাদেশ সিরিজ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু ক্রিকেটারদের কাছে ওই সিরিজ ও আইপিএলের মধ্যে কোনও একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। এবার তেমনটা হয়নি। যদিও দেশের হয়ে সেরা দল নিয়ে খেলে বিশ্বকাপের টিকিট কনফার্ম করাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে প্রোটিয়া শিবির।

সমস্যায় বাকিরাও
সবচেয়ে বেশি সমস্য়ায় পড়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। অধিনায়ক এইডেন মার্করাম, হেইনরিখ ক্লাসেন, মার্কো জানসেনকেও অরেঞ্জ আর্মি শুরুতে পাচ্ছে না। দিল্লি ক্যাপিটালসে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নরকিয়া ও লুঙ্গি এনগিডি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে ট্রিস্টান স্টাবস ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস রয়েছেন। লখনউ সুপার জায়ান্টসে কুইন্টন ডি কক, পাঞ্জাব কিংসে কাগিসো রাবাডা রয়েছেন। চেন্নাই সুপার কিংস সিসান্ডা মাগালাকেও প্রথম ম্যাচে সম্ভবত পাবে না, তিনি নেদারল্যান্ডস সিরিজের দলে থাকলে।












Click it and Unblock the Notifications