IPL 2022: বিরাট কোহলির প্রতি কৃতজ্ঞতা দেবদত্ত পাড়িক্কলের, উৎসাহ প্রদানের কোন ঘটনায় আজও শিহরণ জাগে?
আইপিএল কেরিয়ার শুরু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে। আরসিবির হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্সই শ্রীলঙ্কা সফরে খুলে দেয় জাতীয় দলের দরজা। এখন দেবদত্ত পাড়িক্কল রাজস্থান রয়্যালসে। সেখানে এসেও তাঁর মনে গেঁথে রয়েছে এক দারুণ অভিজ্ঞতার ঘটনা। তরুণ ক্রিকেটারদের বিরাট কোহলি নানাভাবে গাইড করেন। কোহলির প্রতি বিরাট-মুগ্ধতা রয়েছে পাড়িক্কলেরও।

বিরাট কোহলি যখন আইপিএলে অধিনায়ক ছিলেন, তিনি অনেক তরুণ ক্রিকেটারকে সুযোগ দিয়েছেন। ব্যর্থতাতেই বাদ দেননি। বরং পাশে থেকে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন। সে কারণেই বিরাটের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত থাকেন তাঁর সতীর্থরা। আরসিবিতে বিরাট কোহলির অধিনায়কত্বেই অভিষেক হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলের। ২০২০ সালে তিনি ১৫ ম্যাচে ৪৭৩ রান করেন। পাঁচটি অর্ধশতরান-সহ, গড় ৩১.৫৩, স্ট্রাইক রেট ১২৪.৮০। গত বছরের আইপিএলে তিনি ১৪টি ম্যাচে ৪১১ রান করেন, গড় ৩১.৬১, গড় ১২৫.৩০। ওপেনিং পার্টনার হিসেবে পেয়েছেন বিরাট কোহলিকেও। গত বছরের আইপিএলে একটি করে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন পাড়িক্কল।

গত বছরের ২২ এপ্রিল ওয়াংখেড়েতে রাজস্থান রয়্যালসকে আরসিবি হারিয়েছিল ১০ উইকেটে, ২১ বল বাকি থাকতেই। ১১টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৫২ বলে ১০১ রানে অপরাজিত ছিলেন পাড়িক্কল। বিরাট ৬টি চার ও ৩টি ছয় মেরে ৪৭ বলে ৭২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। পাড়িক্কল এবার রাজস্থান রয়্যালসে রয়েছেন। চারটি ম্যাচে ১১৪ রান করেছেন। সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৪১। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৭, আরসিবির বিরুদ্ধে ৩৭ ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে করেছেন ২৯ রান।

দেবদত্ত পাড়িক্কল রেড বুলের গ্রেটনেস স্টার্টস হিয়ার অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন রাজস্থানের বিরুদ্ধে শতরানের পর ফেরার সময় বিরাট কোহলির এক দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকার কথা। পাড়িক্কলের কথায়, ক্যামেরাম্যান ক্যামেরা তাক করেছিলেন বিরাটের দিকে। বিরাট তখন আমাকে দেখিয়ে বলেন, আমাকে ক্যামেরায় ধরতে। বিরাট তাঁকে বলেন, আজকের দিনের নায়ক পাড়িক্কলই। এই ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও শিহরিত হই। সেই দিনের অনেক কিছুই মনে আছে। ২০ বছর বয়সে আইপিএলে শতরান করতে পারব ভাবিনি কখনও। ওয়াংখেড়ের মতো ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে বিরাট, এবি ডি ভিলিয়ার্সদের মতো ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে ওই ইনিংস খেলতে পারার অভিজ্ঞতা অসাধারণ ছিল। পাড়িক্কল অবশ্য বলেন, সেরা অভিজ্ঞতা জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া। তাঁর কথা, এটাই ছোটবেলা থেকে সকলের স্বপ্ন থাকে। আমি যাতে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারি সেজন্য আমার বাবা-মা আমার ১১ বছর বয়সে হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরুতে চলে এসেছিলেন। দেশের হয়ে খেলার সঙ্গে কোনও কিছুর তুলনা হয় না।












Click it and Unblock the Notifications