IPL 2022: দুই নয়া অধিনায়কের মস্তিস্কের লড়াই অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে পঞ্চদশ আইপিএল-এর উদ্বোধনী ম্যাচকে
IPL 2022: দুই নয়া অধিনায়কের মস্তিস্কের লড়াইয়ে অন্য উচ্চতা পাচ্ছে পঞ্চদশ আইপিএল-এর উদ্বোধনী ম্যাচ
রাত পোহালেই ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে আইপিএল-এর। কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়ে যাবে পঞ্চদশ আইপিএল। একই সঙ্গে নতুন অধ্যায় শুরু হবে চেন্নাই সুপার কিংসের। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভার কাঁধে তুলে নেবেন রবীন্দ্র জাডেজা।

কেরিয়ারের মধ্যভাগে এসে এই দায়িত্ব জাডেজার কাছে যতটা গর্বের ততটাই চাপ প্রদানকারী। জাডেজাকে লড়াই করতে হবে ধোনির ছায়ার সঙ্গে। তাঁকে তারা করে বেড়াবে এমএসডি-এর সাফল্য। অপর দিকে, প্রত্যাশার চাপকেও সামলাতে হবে জাড্ডুকে। আইপিএল-এর অন্যতম সফল দল চেন্নাই সুপার কিংস এবং ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নও তারা। ফলে দলের সাফল্যের ইতিহাসকে মাথায় রেখে ঘুঁটি সাজাতে হবে জাডেজাকে। সৌরাষ্ট্রের এই ক্রিকেটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বা আইপিএল-এ কখনও নেতৃত্ব প্রদান করেনি। অনূর্ধ্ব-১৯ বিনু মাকঁড় ট্রফিতে মুম্বইয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে সৌরাষ্ট্রের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে শেষ বার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাডেজা।
জাডেজার মতোই নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়কত্বর দায়িত্ব পাওয়া শ্রেয়স আইয়ার।
ধোনির পরম্পরা বয়ে নিয়ে যাওয়ার চাপ থাকবে জাডেজার উপর। শ্রেয়সের উপর ওতটা চাপ না থাকলেও তাঁর উপর থাকবে নতুন ফ্রাঞ্চাইজিতে এসে মানিয়ে নিয়ে দলকে সঠিক পথে চালিত করা এবং নিলামে তাঁর পিছনে খরচ হওয়া অর্থের সঠিক মূল্য দেওয়ার চাপ। আইপিএল-এ ৪১ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা রয়েছে শ্রেয়স আইয়ারের। যার মধ্যে তাঁর নেতৃত্বে দিল্লি ক্যাপিটলস জিতেছে ২১টি ম্যাচ এবং ১৮টি হেরেছে। দু'টি ম্যাচ টাই হয়েছে। ৫৩.৬৫ শতাংশ সাফল্যের হার থাকলেও কখনও বড় কিছু এখনও করে দেখাতে পারেননি শ্রেয়স। আইপিএল-এ দু'বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স, দু'টি চ্যাম্পিয়নশিপ-ই এসেছিল গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে। গত বছর ইয়ন মর্গ্যান এই দলকে নিয়ে গিয়েছিল ফাইনালে। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও রানার্স করেছিল কেকেআর'কে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান।
অপর দিকে, অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আইয়ারের পারফরম্যান্সের গ্রাফ সিএসকে-র বিরুদ্ধে একেবারেই ভাল নয়। আইপিএল-এ এখনও পর্যন্ত ৭টি ম্যাচের মধ্যে ৩টি ম্যাচে দলকে জেতাতে পেরেছেন শ্রেয়স, হেরেছেন চারটি ম্যাচে। যার ফলে ট্র্যাক রেকর্ড় বলছে যখন সামনে ধোনির দল পড়েছে তখনই পায়ের তলার জমি কেঁপে উঠেছে শ্রেয়স আইয়রারে। শোচনীয় পরিসংখ্যান বদলেরও চেষ্টা এই ম্যাচে থাকবে শ্রেয়সের। এছাড়া দিল্লির অধিনায়ক থাকাকালীন কিছু ম্যাচে ভাল খেললেও ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি শ্রেয়সের খেলায়। যা থেকে পরিষ্কার অধিনায়কত্বের চাপ ঠিক মতো সামলানোর গুণ রপ্ত করতে পারেননি মুম্বইয়ের ক্রিকেটার এবং তারই প্রভাব পড়ে ব্যাটিং-এ। এই সমস্যা না মিটলে দলের অধিনায়ক নিজেই সমস্যায় ফেলবেন কলকাতাকে। তবে, শ্রেয়সের নেতৃত্বে ২০২০ সালে আইপিএল ফাইনালে পৌঁছেছিল দিল্লি ক্যাপিটলস। সেই আত্মবিশ্বাস কাজে আসবে তরুণ অধিনায়কের।












Click it and Unblock the Notifications