চার ইনিংসে শূন্য, আইপিএলের অবাঞ্ছিত ক্লাবে প্রবেশ পুরানের, কী বলছে পরিসংখ্যান?
চার ইনিংসে শূন্য, আইপিএলের অবাঞ্ছিত ক্লাবে প্রবেশ পুরানের, কী বলছে পরিসংখ্যান?
শুক্রবার চলতি আইপিএলের অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারিয়ে দিয়েছে পাঞ্জাব কিংস। এই জয়ের ফলে লিগ তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে কেএল রাহুলের দল। তবে ওই ম্যাচের সফলতার আলোতেও আঁধার নিকোলাসের পুরানের ব্যাট। একই সঙ্গে আইপিএলে এক অবাঞ্ছিত ক্লাবেও প্রবেশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরিসংখ্যান দেখে নেওয়া যাক।

পাঞ্জাবের জয়ের পুরানের অবদান শূন্য
শুক্রবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আইপিএলের অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ৩৪ রানে জিতে যায় পাঞ্জাব কিংসের। যদিও দলের জয়ে কোনও অবদানই রাখতে পারেননি নিকোলাস পুরান। ৩ বল খেলে কোনও রান না করেই সাজঘরে ফিরে যান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান।

একই আইপিএলের চার ইনিংসে শতরান
এটাই প্রথম নয়। চলতি আইপিএলে এটি নিকোলাস পুরানের চতুর্থ শূন্য। যার মাধ্যমে আইপিএলের এক অবাঞ্ছিত ক্লাবে প্রবেশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। যে ক্লাবের সদস্য বিশ্বের রথী-মহারথীরা। যদিও এই পরিসংখ্যান ভুলতে চাইবেন পুরান।

তালিকায় বড় নাম
নিকোলাস পুরানের আগে আরও চার জন ক্রিকেটার একই আইপিএলের চার ইনিংসে শূন্য করেছেন। ২০০৯ সালের আইপিএলে ডেকান চার্জার্সের জার্সিতে এই অবাঞ্ছিত ক্লাবে প্রবেশ করেছিলেন হার্সেল গিবস। ২০১১ সালের আইপিএলে পুনে ওয়ারিয়র্সের জার্সিতে এই ক্লাবের সদস্য হয়েছিলেন মিথুন মানহাস। ২০১২ সালের আইপিএলের চার ইনিংসে শূন্য করে আউট হয়েছিলেন মনীশ পান্ডে। টুর্নামেন্টের ২০২০ সালের সংস্করণের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েও চার বার শূন্যে আউট হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের শিখর ধাওয়ান।

উদার নিকোলাস
পারফরম্যান্সে না হলেও উদারতায় ভারতবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন নিকোলাস পুরান। করোনা ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে ভারতকে নিজের আইপিএল বেতনের (৪.২ কোটি টাকা) একটা অংশ দান করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান। যোগ দিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর, শিখর ধাওয়ান, শ্রীবৎস গোস্বামী, প্যাট কাামিন্স, ব্রেট লি, জয়দেব উনাদকাটের দলে।












Click it and Unblock the Notifications