দেশে ফেরার চিন্তা নেই ম্যাক্সওয়েলের, ভারতে টি ২০ বিশ্বকাপ হতে পারে আইপিএল মডেলে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে ভারত থেকে টি ২০ বিশ্বকাপ সরানোর প্রশ্নই নেই। আইসিসি-র সঙ্গে সবরকম সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এমনই দাবি টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর ধীরজ মালহোত্রার। বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ৯টি শহরে। আইপিএল হচ্ছে ছটি শহরে। একসঙ্গে দুটি শহরে পর্যায়ক্রমে হচ্ছে খেলা। অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় টি ২০ বিশ্বকাপও সেই মডেলেই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিসিসিআইয়ের। এমনকী তা পাঁচটি শহরে আয়োজন করা হতে পারে। মালহোত্রা জানান, ভারতকে নিরাপদ নয় মনে করলে তবেই তা সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে সরাতে পারে আইসিসি। তবে তা আয়োজনের দায়িত্বে থাকবে বিসিসিআই-ই। হু করোনাকে অতিমারী ঘোষণার পর টি ২০ বিশ্বকাপই হতে চলেছে আইসিসি-র মাল্টি টিম গ্লোবাল ইভেন্ট। অংশ নেবে ১৬টি দেশ।

(ছবি- বিসিসিআই/আইপিএল)
অ্যান্ড্রু টাই, কেন রিচার্ডসন, অ্যাডাম জাম্পার মতো অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারা আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়ে দেশে ফিরেছেন। আম্পায়ার পল রাইফেলও আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ান। অস্ট্রেলিয়া ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে ট্র্যাভেল রেসট্রিকশন জারি করে এ দেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তার আগেই করোনা ভীতিতে দেশে ফিরতে না পারার আশঙ্কায় তিন অজি ক্রিকেটার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বড় ভরসা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল পুরো আইপিএলেই খেলবেন।

(ছবি- বিসিসিআই/আইপিএল)
ম্যাক্সওয়েল বলেন, ১৫ মে-র মধ্যে পরিস্থিতি বদলাবে বলেই আশা করা হচ্ছে। যদি তা নাও হয় তা হলেও চিন্তা নেই। বিসিসিআই ও দুই দেশের সরকার নিশ্চিতভাবেই কোনও উপায় বের করবেন। হয়তো আমাদের দেশে ফিরতে কয়েকদিন দেরি হতে পারে। তবে ভারত, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা যে চার্টার্ড বিমানে ইংল্যান্ডে যাবেন আমরা অস্ট্রেলীয়রা তাতেও যেতে পারি। ইংল্যান্ড পৌঁছে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করতে পারব।

(ছবি- বিসিসিআই/আইপিএল)
উল্লেখ্য, এখনও অবধি আইপিএলে ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ ও ধারাভাষ্যকার মিলিয়ে ১৪জন অস্ট্রেলীয় রয়েছেন। ম্যাকালামের বান্ধবী ভিনি রামন আবার প্রবাসী ভারতীয়। মেলবোর্নে ডাক্তারি পড়ে চিকিৎসাও করেন। ম্যাক্সওয়েল মজা করে এটাও বলেছেন, আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় ভাঙার পর কোনও সাহায্য না পেলে ভিনি তো আছেই! সবমিলিয়ে খোলা মনেই আইপিএল অভিযান শেষ করতে চান ফর্মে থাকা ম্যাক্সওয়েল। আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয়কে দুর্বলতম বলে জাম্পা সমালোচনা করলেও ম্যাক্সওয়েল বলেন, এটা ঠিক ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। তা সত্ত্বেও বিসিসিআই আমাদের জন্য কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ের বন্দোবস্ত করেছে। বাইরের জগতের সঙ্গে আমাদের সরাসরি যোগাযোগই নেই। টিম হোটেল ও মাঠের মধ্যেই আমাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে রাখা হয়েছে। বিসিসিআইয়ের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল বলেন, আইপিএলের শেষে সব দেশের ক্রিকেটারদেরই স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার বিষয়টি সুনিশ্চিত করে দেশে পাঠানোর বন্দোবস্ত করবে বিসিসিআই। কোহলিদের সঙ্গে অজিদের একই বিমানে ইংল্যান্ডে পাঠানোও একটা অপশন হিসেবে রাখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications