রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হায়দরাবাদকে ১৪ রানে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল ব্যাঙ্গালোর
ঘরের মাঠে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ১৪ রানে জিতে প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।
ঘরের মাঠে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ১৪ রানে জিতে প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এদিন ব্যাঙ্গালোরের করা ২১৮ রান তাড়া করতে নেমে ৩ উইকেটে ২০৪ রানে থামল হায়দরাবাদ। কোহলিরা ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এল। কিংস ইলেভেন পঞ্জাব পাঁচ নম্বর থেকে সাত নম্বরে নেমে গেল।

এদিন হায়দরাবাদের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে অনবদ্য ব্যাটসম্যানশিপ দেখান অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও মনীশ পান্ডে। তবে রান রেট এতটাই বেশি ছিল যে কয়েক বল খারাপ খেললেই তার চার এসে পড়ত। আর হয়েছেও তাই। প্রথম দিকে ওভারে ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলতে না পেরে শেষদিকে মেক-আপ করতে পারল না হায়দরাবাদ।
কেন উইলিয়ামসন ৪২ বলে ৮১ রান করেন। মনীশ পান্ডে ৩৮ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ অবধি ১৪ রানে ম্যাচ হারতে হয়।
ব্যাঙ্গালোরের হয়ে যুজবেন্দ্র চাহাল, মহম্মদ সিরাজ ও মঈন আলি ১টি করে উইকেট নেন।
এদিন হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টসে জিতে ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান। শুরুটা ভালো হয়নি। পার্থিব প্যাটেল ১ রানে ফেরেন। বিরাট কোহলিও ১২ রানে ফিরে যান। তারপরই পাল্টা ব্যাটিং আক্রমণে যায় ব্যাঙ্গালোর। এবি ডিভিলিয়ার্স ও মঈন আলি অনবদ্য পার্টনারশিপ গড়েন। এবিডি ৩৯ বলে ৬৯ ও আলি ৩৪ বলে ৬৫ রান করেন।
১০৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুজনে। তারপরে শেষদিকে ফের ধুন্ধুমার ব্যাটিং করেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও সরফরাজ খান। গ্র্যান্ডহোম ১৭ বলে ৪০ ও সরফরাজ ৮ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। গ্র্যান্ডহোমকে বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে ফেরান রশিদ খান। শেষ অবধি ব্যাঙ্গালোর ৬ উইকেট ২১৮ হারিয়ে রান তোলে।
সানরাইজার্সের হয়ে বোলিংয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রশিদ খান। তিনি ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। সন্দীপ শর্মা ৪ ওভারে ৪০ রানে ১ উইকেট ও সিদ্ধার্থ কউল ৪ ওভারে রান দিয়ে ২ উইকেট পান।
সানরাইজার্স এদিনের ম্যাচ হেরে ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে রইল। ফলে পরের ম্যাচেও কেন উইলিয়ামসনরা হারলে চেন্নাইয়ের সুযোগ রয়েছে গ্রুপ শীর্ষে থেকে লিগ টেবল শেষ করার।












Click it and Unblock the Notifications