'টিম কোহলি'কে ভেন্টিলেশনে পাঠিয়ে চিন্নাস্বামীতে প্রতীক্ষিত জয় কেকেআর-এর
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে নিজেদের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রেখে ইডেনের পর চিন্নাস্বামীতেও জয় তুলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে নিজেদের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রেখে ইডেনের পর চিন্নাস্বামীতেও জয় তুলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আরসিবি-র করা ১৭৫ রানের টার্গেট ৪ উইকেট হারিয়ে তুলে নিল দীনেশ কার্তিকের দল। ম্যাচ হেরে প্লে অফে ওঠা থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার মুখে ব্যাঙ্গালোর। কলকাতার জয়ে ব্যাট হাতে বড় ভূমিকা নিলেন ক্রিস লিন। করলেন ৫২ বলে অপরাজিত ৬২ রান। এদিন জিতে ৮ ম্যাচে ৪টি জয় পেল শাহরুখ খানের দল।

এদিন রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করে কেকেআর। ৬ ওভারের মধ্যে বোর্ডে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৫১ উঠে যায়। ক্রিস লিন ধরে খেলছিলেন। বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন সুনীল নারিন। তিনি ১৯ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান। তিন নম্বরে নামা রবীন উথাপ্পাও ২১ বলে ৩৬ রানের সংক্ষিপ্ত অথচ গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে যান।
১২ ওভারের মধ্যে ১০৬ তুলে ফেলার পরে উথাপ্পা ফিরে যান। চার নম্বরে নামা নীতীশ রানা ১০ বলে ১৫ রান করে চোট পেয়ে অবসৃত হন। যার ফলে আন্দ্রে রাসেল নামলেও মহম্মদ সিরাজের প্রথম বলে কোনও রান না করে ফিরে যান।
এরপরে নামেন দীনেশ কার্তিক। তিনি মাত্র ১০ বলে ২৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে কলকাতাকে জয়ের ট্র্যাকে ফিরিয়ে দিয়ে যান। কার্তিক যখন আউট হন তখন ৭ বলে জিততে প্রয়োজন ছিল ৫ রান। ২০তম ওভারের প্রথম বলেই চার মেরে দলকে জয় অনে দেন শুভমান গিল। এদিনে ক্রিস লিন ৫২ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন।
আরসিবির হয়ে এম অশ্বিন ২ উইকেট নেন। মহম্মদ সিরাজ নেন ২ উইকেট। তবে কোনও বোলারই প্রভাব ফেলতে পারেননি। ম্যাচ হেরে ফের একবার হতাশ অধিনায়ক কোহলি। নিজে ভালো খেললেও দল জয় না পাওয়ায় হতাশা লুকোতে পারেননি তিনি। এমন ফিল্ডিং ও বোলিং করলে ম্যাচ জেতা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
এদিন টসে জিতে আরসিবিকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। আরসিবি-র হয়ে কুইন্টন ডি কক ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ইনিংস ওপেন করেন। ডি কক ২৯ ও ম্যাককালাম ৩৮ রান করেন। দলের রান ৬৭ সেইসময়ে ব্যাট করতে নামেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। শেষ অবধি দলকে ১৭৫ রানের সম্মানডনক স্কোরে পৌঁছে দেন তিনি।
৪৪ বলে অপরাজিত ৬৮ রান করেন ৬৮ রান। শেষদিকে মনদীপ সিং ১৪ বলে ১৯ রান ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ৬ বলে ১১ রান করেন। সবমিলিয়ে আরসিবি ৪ উইকেটে ১৭৫ রানে ইনিংস শেষ করে।
কলকাতার হয়ে অনবদ্য বল করেন আন্দ্রে রাসেল। তিনি ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন। কুলদীপ যাদব ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। আর কেউ বল হাতে সেভাবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেননি।
এদিন জিতে ৮ ম্যাচে ৪টি জয় পেয়ে কলকাতা লিগ টেবলের চার নম্বরেই রইল। আরসিবি ৭ ম্যাচে ৫টি হেরে লিগ টেবলের সাত নম্বরে চলে গেল। বিরাটদের শেষ সাতটি ম্যাচের মধ্যে ৬টিই জিততে হবে। যা এককথায় অসম্ভব কাজ। ফলে ধরে নেওয়া যায়, বিরাটের দল প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গেল।












Click it and Unblock the Notifications