IPL 10 : মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ৯ রানে হেরেও প্লে অফে কলকাতা
কলকাতাকে ৯ রানে হারিয়ে লিগ তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখে মুম্বই চলে গেল প্লে অফে। আর কলকাতা ম্যাচ হেরে প্লে অফের প্রথম দুই দলের মধ্যে থাকতে পারল না।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শক্ত গাঁটে ফের আটকে গেল কলকাতা। একে মুম্বই তার উপরে বিপক্ষ অধিনায়ক রোহিত শর্মার প্রিয় মাঠ। আন্তর্জাতিক ম্যাচ হোক অথবা আইপিএল, ইডেন কখনও খালি হাতে ফেরায়নি রোহিতকে। এদিনও ফেরাল না। কলকাতাকে ৯ রানে হারিয়ে লিগ তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখে মুম্বই চলে গেল প্লে অফে।
আর ম্যাচ হেরে প্লে অফের প্রথম দুই দলের মধ্যে থাকতে পারল না কলকাতা। তবে রান রেট ভালো থাকার সুবাদে কেকেআর প্লে অফে চলে গেল। তিন অথবা চার নম্বরে শেষ করবে গৌতম গম্ভীরের দল। অর্থাৎ প্লে অফ এলিমিনেটর খেলতে হবে। এদিন রবিবার পুনে ও পাঞ্জাবের মধ্যে এদিন যে জিতবে, চতুর্থ দল হিসাবে তারাই প্লে অফে চলে যাবে।

ঘরের মাঠে ইডেন গার্ডেন্সে ডু অর ডাই ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুম্বই আগেই প্লে অফে চলে যাওয়ায় প্রথম একাদশের কিছু বদল করেছিল। লেন্ডল সিমন্সের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নামেন সৌরভ তিওয়ারি।
সিমন্স ০ রানে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হয়ে ফেরেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে রোহিত শর্মার সঙ্গে ৫৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সৌরভ তিওয়ারি। রোহিত ২৭ রান করে আউট হলেও তিওয়ারি ৪৩ বলে ৫২ রান করে এই মরশুমে প্রথম খেলতে নেমেই অর্ধশতরান করেন।
এদিকে মিডল অর্ডারে এই মরশুমে প্রথমবার খেলতে নামা অম্বাতি রায়াডুও অনবদ্য খেলেন। মাত্র ৩৭ বলে ৬৩ রান করে ফেরেন তিনি। শেষদিকে কায়রন পোলার্ড সেভাবে ব্যাটে ঝড় তুলতে না পেরে ১১ বলে ১৩ করেন। সবমিলিয়ে মুম্বই ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৩ রান করে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা শুরুতেই সুনীল নারিনের (০) উইকেট হারায়। ক্রিজে জমে গিয়েছেন বলে যখন ভাবা হচ্ছিল, ঠিক তখনই ১৬ বলে ২১ রান করে মিচেল জনসনের বলে ফেরেন গৌতম গম্ভীর। তিন নম্বরে নামা রবীন উথাপ্পাও মাত্র ২ রান করে করণ শর্মার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
এদিকে ক্রিস লিনও মাত্র ১৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন। ফলে মাত্র ৫৩ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়ে ধুঁকতে থাকে কলকাতা। ইউসুফ পাঠান নেমে পার্টনারশিপ গড়ার বদলে আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে ৭ বলে ২০ রান করে ফেরেন।
ফলে রান রেট ঠিক থাকলেও ৮৭ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়ে আরও খাদের কিনারায় চলে যায় কলকাতা। এরপরে ৪১ রানের ছোট তবে আক্রমণাত্মক পার্টনারশিপ কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও মনীশ পাণ্ডে। গ্র্যান্ডহোম ১৬ বলে ২৯ রান করে হার্দিক পাণ্ড্যর বলে বোল্ড হয়ে ফিরলে ফের চাপে পড়ে যায় কলকাতা।
এরপরে টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে খেলতে গিয়ে চাপ সামলাতে না পেরে ৩৩ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন মনীশ। শেষদিকে আর কলকাতার পক্ষে রান তাড়া করে জেতা সম্ভব হয়নি। সবমিলিয়ে শেষপর্যন্ত ৯ রানে ম্যাচ হারতে হল কলকাতাকে।












Click it and Unblock the Notifications