বিরাটদের হারের ‘বদলা’ নিলেন মিতালি-রা, পাকিস্তানকে ল্যাজে-গোবরে করে সেরা একতা
কম পুঁজি নিয়েও যে বড় ব্যবধানে জেতা যায়, সেটা ঝুলন গোস্বামী-একতা বিস্তদের কড়া বোলিং না দেখলে বিশ্বাসই করা যেত না। ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল পাকিস্তানের ব্যাটিং।
বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ। বলা ভালো পাকিস্তানের ব্যাটিং একতার সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে এদিন। একতা একাই নেন পাঁচটি উইকেট। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে হারের ধারা অব্যাহত রাখল পাকিস্তান।
রবিবার ডার্বি কাউন্টি গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ১৭০ রানের টার্গেট দেয় পাকিস্তানকে। ভারতীয় ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল মহিলা ক্রিকেটেও পাকিস্তানের কাছে হারের পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে। কিন্তু অল্পরানের পুঁজি নিয়েও ভারত জয়ের আশা ছাড়েনি। একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়লেন পাকিস্তানের উপর। প্রথম বল থেকেই মনে হচ্ছিল বিনা যুদ্ধে ভারত পাকিস্তানকে মাটি ছেড়ে দেবে না।
১৭০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭৪ রানেই শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। ১৫ ওভারের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল তারা। তখন মনে হচ্ছিল ৫০ রানও বোধহয় পেরোতে পারবে না পাকিস্তান। তবে কোনওরকেম ৫০ পার হয় পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ৫১ রানের মাথায় নবম উইকেটের পতন হয় পাকিস্তানের। শেষ উইকেটে ২৩ রান যোগ করে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। ৩৮.১ ওভারে ৭৪ রানে পাকিস্তানের পুরো ব্যাটিং লাইন আপ প্যাভিলিয়নে ফিরে যায়। ভারত ৯৫ রানে জয়ী হয়। ম্যাচের সেরা হন একতা বিস্ত। তিনি ১০ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট দখল করেন।
মহিলা বিশ্বকাপে পর পর তিন ম্যাচে জয়ী হল ভারত। এর আগে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারায় মিতালি-রা। এবার ভারত-পাক ডার্বিও জিতলেন বড় ব্যবধানে। এদিন ভারতের সেরা ব্যাটসম্যান স্মৃতি মন্ধনাকে শুরুতেই ফিরিয়ে দিয়ে ভালো শুরু করেছিল পাকিস্তান।
শুধু ভালো শুরুই নয়, ভারতকে অল্পরানে বেঁধে রাখতেও সমর্থ হয়েছিল পাকিস্তানের বোলাররা। পুনের ৪৭, দীপ্তির ২৮ ও সুষমার ৩৩ রানের সৌজন্যে ভারত ১৬৯ রানে পৌঁছয়। কিন্তু ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ফলে সহজ জয় পেল ভারত। পাকিস্তান তিন ম্যাচে হেরে গ্রুপের শেষে স্থানে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications