India vs West Indies Test: যশস্বী-ঈশানদের অভিষেক, টেস্ট সিরিজ থেকে টিম ইন্ডিয়ার প্রাপ্তির তালিকা
India vs West Indies Test: পঞ্চম দিনে বৃষ্টিতে ধুয়ে গিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশের স্বপ্ন। প্রথম টেস্টে জয়ের সুবাদে সিরিজ পকেটে পুড়েছে টিম ইন্ডিয়া। খাতায় কলমে দুর্বল ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে এই সিরিজ ছিল ভারতের কাছে পরীক্ষা-নীরীক্ষার সুযোগ। তিন নতুন ক্রিকেটারের টেস্ট অভিষেক হয়েছে এই সিরিজে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে যশস্বী জয়সওয়াল, ঈশান কিষান এবং মুকেশ কুমারের অভিষেক হল। পাশাপাশি দুই ম্যাচেই ব্যাটিং ওর্ডারে বেশ কিছু পরিবর্তন হল। চেতেশ্বর পূজারার অনুপস্থিতিতে তিন নম্বরে খেলানো হল শুভমান গিলকে। আবার দ্বিতীয় টেস্টে দলের প্রয়োজনে বিরাট কোহলির জায়গায় চার নম্বরে নামলেন ঈশান কিষান। শামি-বুমরাহদের অনুপস্থিতিতে পেস অ্যাটাকে নেতৃত্ব দিলেন সিরাজ।

ডমিনিকায় প্রথম টেস্ট ইনিংস ও ১৪১ রানে জিতেছিল ভারত। দ্বিতীয় টেস্ট জেতার জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ৩৬৫ রানের লক্ষ্য রেখেছিল ভারত। রবিবারের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল দুই উইকেটে ৭৬ রান।
পঞ্চম ও শেষ দিনে তাদের প্রয়োজন ২৮৯ রান। একই সময়ে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল আট উইকেট। তবে এ দিন কোন খেলাই হতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে ১-০ ব্যবধানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ভারতকে।ব্যাটিং বোলিং দুই ম্যাচ শেষে ট্রফি ছাড়া ভারতের প্রাপ্তির ভাঁড়ারে কী কী থাকল?
প্রথমেই আসা যাক যশস্বী জয়সওয়ালের কথায়, ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইপিএলের মঞ্চে নিজের জাত চেনানোর পর এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরলেন তরুণ বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান। স্বপ্নের অভিষেক বোধহয় একেই বলে। প্রথম ইনিংসেই করলেন ১৭১ রান। দ্বিতীয় টেস্টেও প্রত্যাশা মতোই রান করলেন। ওপেনিংয়ে ভরসা দিলেন এই তরুণ তুর্কি। টেস্টে ওপেনিং সমস্যার সমাধানের দিশা দেখালেন যশস্বী।

টেস্টে নতুন উইকেটরক্ষক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন ঈশান কিষান। পন্থ চোটের জন্য বাইরে, কেএস ভরত প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি, ফলে তরুণ ঈশানের উপরই ভরসা রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট।চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের প্রথম টেস্ট ম্যাচেই অভিষেক হয়েছিল ঈশান কিষানের। সেই ম্যাচে তিনি খুব একটা ব্যাট করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয় ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ঈশান অনেকটাই নিচের দিকে ব্যাট করতে নেমে ৩৭ বলে ২৫ রান করেন।
দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৩৪ বলে ৫২ রানের একটা ঝকঝকে ইনিংস তিনি খেলেন। চারটে বাউন্ডারি এবং দুটো ওভার বাউন্ডারি দিয়ে সাজানো ছিল তাঁর এই ইনিংস। সুযোগ পেলে আগামী দিনে সাদা জার্সিতে দলকে যে নির্ভরতা দিতে তিনি প্রস্তুত তা বুঝিয়ে দিলেন।

বোলিং বিভাগে অভিষেক হল মুকেশ কুমারের। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলার পুরষ্কার পেলেন বাংলা দলের এই পেসার। যে টুকু সুযোগ পেলেন তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করলেন। প্রথম টেস্টে তাঁর নামের পাশে ২ উইকেট।রোহিত রাহুলের খাতায় নিজের নাম তুলে রাখলেন মুকেশ।
পেস অ্যাটাকে নেতৃত্ব দিলেন সিরাজ। দ্বিতীয় টেস্টে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরাও তিনি। দুই টেস্টে সিরাজ বুঝিয়ে দিলেন শামি-বুমরাহদের ছাড়া তিনিও পেস অ্যাটাকে নির্ভরতা দিতে পারেন। পাশাপাশি অশ্বিন নিজের ফর্ম ধরে রাখলেন।অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে বিরাট কোহলির কথা। পাঁচ বছর পর বিদেশের মাঠে শতরান করলেন বিরাট।












Click it and Unblock the Notifications