IND vs BAN: কানপুরের গ্রিন পার্কের গ্যালারির একাংশ বিপজ্জনক, ফ্লাডলাইট নিয়েও চিন্তা
IND vs BAN: কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্ট। ২০২১ সালের পর ফের এখানে বসছে টেস্ট ম্যাচের আসর।
যদিও টেস্ট শুরুর আগে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি ম্যাচ আয়োজনের যোগ্য এই স্টেডিয়াম? গ্যালারির একাংশ বিপজ্জনক। সেই সঙ্গে চিন্তা রয়েছে ফ্লাডলাইট নিয়েও।

গ্রিন পার্কের সি স্ট্যান্ডের ব্যালকনি সি এখন যাবতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ, উত্তরপ্রদেশের পূর্ত দফতরের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই অংশে ৫০ জন জড়ো হয়ে যদি কোনও ছক্কা দেখে আনন্দে লাফিয়ে ওঠেন তাহলে ঘটতে পারে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা।
এই অংশটি খুব বিপজ্জনক অবস্থায় থাকায় আপাতত টেস্টের আগে কিছুটা সারাইয়ের কাজ চলছে। উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে প্রথমে এই অংশের টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ওই অংশটি পরিদর্শন করেছেন ইউপিসিএ কর্তারাও।
গতকাল পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা প্রায় ঘণ্টা ছয়েক ধরে গ্যালারির ওই অংশটি পরীক্ষা করে দেখেন। এরপর পূর্ত দফতর ও ইউপিসিএ কর্তাদের বৈঠকে স্থির হয়েছে, ব্যালকনি সি-র ৪৮০০টি আসনের মধ্যে ১৭০০টির টিকিট বিক্রি করা হবে। টেস্ট শুরুর আগে সারাইয়ের কাজও চলবে।
উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সিইও অঙ্কিত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই স্টেডিয়ামে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার অধীনে নেই। সাম্প্রতিককালে স্টেডিয়ামটির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রয়েছে উত্তরপ্রদেশ ক্রীড়া দফতরের। টেস্টের আগে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা ৪০ দিন সময় পেয়েছে স্টেডিয়ামটি ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত করার।
কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের গুরুত্ব কমেছে আগের তুলনায়। লখনউয়ে ভারতরত্ন শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী একানা স্টেডিয়ামেই বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়। আইপিএলের খেলাও সেখানেই হয়। ফলে ঐতিহ্যশালী গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামের হাল ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।
সি স্ট্যান্ডের পিলারগুলির যেমন দৈন্যদশা, তেমনই খারাপ অবস্থা ফ্লাডলাইটেরও। বিকেলের দিকে কিংবা আকাশে কালো মেঘ চলে এলে টেস্ট খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ফ্লাডলাইট জ্বালানো হয়। ২০২১ সালে কানপুর টেস্টের শেষ দিনেও তেমন পরিস্থিতি হয়েছিল। ক্রীড়া দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভিআইপি প্যাভিলিয়নের কাছে যে ফ্লাডলাইট রয়েছে তার ৮টি বাল্ব ঠিকঠাক কাজ করছে না। কানপুরে দূষণের কারণে অনেক সময়ই দৃশ্যমানতার সমস্যা হয়। সে কারণে তিন বছর আগে ভারত টেস্ট জিততে পারেনি বলে অনেকের অভিমত। এবার কী পরিস্থিতি হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।












Click it and Unblock the Notifications