মুম্বই টেস্ট শেষ হবে ৪ দিনেই! সিরিজ জয় নিশ্চিত হলেও বিরাট-পূজারা মাঠে ফেলে এলেন অর্ধশতরান
মুম্বই টেস্ট চার দিনেই জিতে নিয়ে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলতে চলেছে ভারত। ২০১৩ সালের পর থেকে দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে ভারত অপ্রতিরোধ্য। প্রথম ইনিংসে ৬২ রানে অল আউট হওয়া নিউজিল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য ৫৪০ রানের টার্গেট রেখেছেন বিরাট কোহলিরা।

৭০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৬ রান তোলার পর দ্বিতীয় ইনিংস ডিক্লেয়ার করেছে ভারত। চা বিরতির আগে ব্যাট করতে নেমেছে কিউয়িরাও। ময়াঙ্ক আগরওয়াল সর্বাধিক ৬২ রান করেন। চেতেশ্বর পূজারা ও শুভমান গিল দুজনেই ৪৭ রানে আউট হন। রাচিন রবীন্দ্রর বলে বোল্ড হন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এদিনও তিনি বড় রান পেতে ব্যর্থ হলেন। একটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে বিরাট ৮৪ বলে ৩৬ রান করেন। শ্রেয়স আইয়ার ৮ বলে ১৪, ঋদ্ধিমান সাহা ১২ বলে ১৩, জয়ন্ত যাদব ৬ রান করেন। প্রথম ইনিংসে অর্ধশতরান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি চার ও চারটি ছয়ের সাহায্যে ২৬ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন অক্ষর প্যাটেল।

আজাজ প্যাটেল তিনটি মেডেন-সহ ২৬ ওভারে ১০৬ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ভারতের ১৭টি উইকেটের মধ্যে ১৪টি তিনিই নিয়েছেন। ১৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেন-সহ ৫৬ রান খরচ করে তিন উইকেট নিয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র। জবাবে খেলতে নেমে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে লেগ বিফোর হয়েছেন কিউয়ি অধিনায়ক টম লাথাম। ১৫ বলে ৬ রান করে তিনি আউট হয়েছেন। চা বিরতিতে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ১ উইকেটে ১৩। টেস্ট যেভাবে এগোচ্ছে তাতে ভারতের সিরিজ জয়ে পুরো চার দিনও লাগবে না।

এদিন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে গিয়ে ময়াঙ্ক আগরওয়াল ৬২ রানে আউট হলেও নজির গড়লেন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। ওপেনার হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসেই ৫০-এর বেশি রান এর আগে করেছিলেন চেতন চৌহান (১৯৭৮ সালে ৫২ ও ৮৪), সুনীল গাভাসকর (১৯৭৮ সালে ২০৫ ও ৭৩) এবং কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত (১৯৮৭ সালে ৭১ ও ৬৫)। টিম সাউদির বলে পুল মারতে গিয়ে এদিন হাতে চোট পেয়েছিলেন ময়াঙ্ক। এরপরই তিনি আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পথ বেছে নেন। যদিও আজাজ প্যাটেলকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন। যেভাবে খেলছিলেন তাতে প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতরান নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। মুম্বই টেস্টে তিনি মোট ২১২ রান করলেন।












Click it and Unblock the Notifications