বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল ডিউকস বলে! আইপিএলের সময়ই বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে ভারত
লন্ডনের ওভালে চলতি মাসের ৭ তারিখ থেকে শুরু আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। দ্বৈরথে নামার আগে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা চূড়ান্ত পর্বের অনুশীলন সারছেন। দুই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে সাদা বল থেকে লাল বলের ফরম্যাটের দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।
ভারত এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে খেলবে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণের ফাইনালে বিরাট কোহলির ভারত হেরে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের কাছে। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে এবার ভারত আইসিসি ইভেন্টে ট্রফি জয়ের খরা মেটাতে বদ্ধপরিকর।

এই ফাইনালে দুই দলের কাছেই চ্যালেঞ্জিং হবে বল। অস্ট্রেলিয়া কোকাবুরা (Kookaburra) বলে খেলে বেশি অভ্যস্ত। ভারতে খেলা হয় এসজি বলে। কিন্তু আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, ফাইনাল খেলা হবে ডিউকস (Dukes) বলে। কোকাবুরা বলের সেলাই মেশিনে হয়। ডিউকসের সেলাই হয় হাতে। বলের সারফেস দীর্ঘ সময় ভালো থাকে।
ডিউকস বলে স্যুইং ভালো হয়। ইংল্যান্ডের পরিবেশে তাই রান তোলাটা চ্যালেঞ্জিং হবে ব্যাটারদের কাছে। নিরপেক্ষ জায়গায় খেলা। বলের নিরিখেও তাই থাকছে নিরপেক্ষতা। দুই দলের কেউই নিজেদের দেশে এই বলে না খেলায়। তবে ইংল্যান্ডে এই বলে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা সাফল্য পেয়েছেন। ২০১৯ সালে অ্যাশেজও জেতে অস্ট্রেলিয়া।

ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতও টেস্টে সাফল্য পেয়েছে। ইংল্যান্ডকে তাদের দেশেই হারিয়েছে। জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ শামিরা অস্বস্তিতে রেখেছিলেন ব্যাটারদের। এবার বুমরাহ না থাকলেও অজি ব্যাটারদের কাজও সহজ হবে না। শামির সঙ্গে এবার মহম্মদ সিরাজও থাকবেন। ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা আইপিএল চলাকালীনও টেস্টের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
The skipper is getting ready for the big finale 💪#WTC23 pic.twitter.com/3jP8Ywaq0T
— ICC (@ICC) May 31, 2023
অক্ষর প্যাটেল আইসিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আইপিএলের সময়ই আমরা ঠিক করি ডিউকস বলে অনুশীলন করব। ফলে লাল ডিউকস বলেই অনুশীলন করেছি। আমরা জানি কখন কোন ফরম্যাটে খেলতে হবে, কতটা সময় হাতে রয়েছে। সাদা বল থেকে লাল বলে দ্রুত পরিবর্তন মানসিকভাবে কঠিন। কিন্তু আমরা পর্যাপ্ত সময় পেয়েছি।
অক্ষরের কথায়, ডিউকস বলের ঔজ্জ্বল্য দীর্ঘ সময় বজায় থাকে। আমরা আইপিএলের সময় এই বল অর্ডার দিয়ে আনিয়ে প্র্যাকটিস করেছি। এর সঙ্গে সকলেই সড়গড় হয়ে গিয়েছেন। রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন থাকায় পেস সহায়ক পরিবেশে অক্ষরের একাদশে ঠাঁই পাওয়া নিশ্চিত নয়। তবে দলের সঙ্গে চুটিয়ে অনুশীলন সারছেন।

অক্ষর বলেন, আমরা সাদা বল থেকে লাল বলের ফরম্যাটে যেমন মানিয়ে নিয়েছি, তেমনই পরিবর্তন হয়েছে এসজি থেকে ডিউকস বল সামলানোর ক্ষেত্রেও। দলে প্রতিভা, দক্ষতা রয়েছে। পরিকল্পনার যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়ে ছন্দ ধরে রেখে বল করতে হবে। ভালো জায়গায় বল ফেললে তার সুফল মিলবেই।
ইংল্যান্ডের মাটিতে কী কী করলে সাফল্য পাওয়া যাবে তা মাথায় নিয়েই ভারতীয় দল চূড়ান্ত মহড়া সারছে বলে জানিয়েছেন অক্ষর।












Click it and Unblock the Notifications