শৃঙ্খলিত বোলিং, দুর্দান্ত টপ অর্ডার! মাপা পারফরম্যান্সে দারুণভাবে সিরিজে ফিরল রোহিত-বাহিনী
অকল্যান্ডে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ভারত।
প্রথমে শৃঙ্খলিত বোলিং-এ নিউজিল্যান্ডকে মাত্র ১৫৮ রানে বেঁধে রাখলেন বোলাররা। দারুণ বল করলেন ক্রুণাল (২৮-৩) তারপর বাকি বাকি কাজ সাড়লেন টপ অর্ডার। রোহিত শর্মা (২৯ বলে ৫০)-র বিধ্বংসী অর্ধশতরান, শিখর ধাওয়ান (৩১ বলে ৩০)-র যোগ্য সহায়তা, তারপর ঋষভ পন্থ (২৮ বলে ৪০) প্রতিভার ছটা - ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিল ১ ওভার বাকি থাকতেই। ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা (১-১) ফেরাল রোহিতবাহিনী।

নিউজিল্যান্ড এদিন অন্তত ২০-২৫টা রান কম করেছিল। এই কম লক্ষ্যমাত্রা রক্ষা করতে গেলে ভারতের টপ অর্ডারকে দ্রুত ফেরানো দরকার ছিল। কিন্তু রোজ রোজ রোহিত, শিখররা ব্যর্থ হন না।
এদিন প্রথম থেকেই বোঝা যাচ্ছিল ছন্দে আছেন রোহিত। কাগেলেইজনকে ফাইন লেগ অঞ্চল দিয়ে ছয় মেরে তিনি তাঁর টি২০আই ক্রিকেটে ১০০তম ছয়ের মাইলস্টোনেও পৌঁছান। লোকি ফার্গুসন, স্য়ান্টনাররাও ছাড় পাননি। কিন্তু ইশ সোধির বলে দশম ওভারে তিনি ২৯ বলে ৫০ করে আউট হয়ে যান।
ততক্ষণে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের জয়ের উদ্যমও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন রোহিত। এদিন ৩টি চার ও ৪টি ছয় মেরেছেন হিটম্য়ান। উল্টোদিকে শিখর আজ বেশ শান্তই ছিলেন। রোহিতকে ছন্দে দেখে তিনি অ্যাঙ্করের ভূমিকা নেন। তবে রোহিত ফেরার কিছু পরেই লোকি ফার্গুসনের একটি খেলার অয়োগ্য বাউন্সারের শিকার হন তিনি।
এরপর বিজয় শঙ্কর (৬ বলে ১৪) অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তাঁকে ফেরান মিচেল। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার সময় ভারতের জেতার জন্য় আর মাত্র ৪০ রান প্রয়োজন ছিল। হাতে ছিল ৩৮টি বল। বাকি কাজটা নিশ্চিন্তে সেড়ে আসেন ঋষভ পন্থ ও এমএস ধোনি (১৭ বলে ২০)।
তবে এদিনের জয়ের মূল কাণ্ডারি ভারতীয় বোলাররা। একেবারে শুরুতে কিউই ওপেনারদের সুইংয়ে নাস্তানাবুদ করেন ভুবনেশ্বর ও খলিল। আগের ম্য়াচের নায়ক সেইফার্টকে এদিন ১২ রানেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান ভুবি। তারপর ক্রুণাল এসে পর পর কলিন মুনরো (১২), ডেরিল মিচেল (১) ও কেইন উইলিয়ামসন (২০)-কে ফিরিয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৫০-৪ করে দিয়েছিলেন। ২৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে তিনিই এদিনের ম্যাচের সেরা।
এরপর রস টেলর (৪২) ও গ্র্যান্ডহোমি (২৮ বলে ৫০) নিউজিল্যান্ড ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও শেষ ৫ ওভারে ফের ভারতকে খেলায় ফেরান বোলাররা। ভুবি ও খলিল দুজনেই পুরনো বল থেকে সুইং আদায় করেছেন। একের পর এক ইয়র্কার দিয়েছেন। ব্য়াটসম্য়ান মারার জন্য সরে গেলে বল তার আওতার বাইরে করেছেন। যার ফলে নিউজিল্যান্ড ইনিংসের শেষ ৫ ওভারে মাত্র ৩৭ রান ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications