IND vs SA T20Is: টি ২০ বিশ্বকাপে ভারত ফিনিশারের সন্ধানে! দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ কোন দু'জনের কাছে?
IND vs SA T20Is: টি ২০ বিশ্বকাপের আগে ভারত ৬টি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলছে। তিনটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে, তিনটি দেশের মাটিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আইপিএলের পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টি ২০ বিশ্বকাপ।
ভারতীয় দলের শিবির সূত্রে খবর, রোহিত শর্মাই টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন। সেক্ষেত্রে বিরাট কোহলিকে বাইরে রাখা সহজ হবে না। সেটা হলে একাদশে কারা থাকবেন তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি ২০ সিরিজের প্রস্তুতি ভারতীয় দল শুরু করে দিয়েছে। রবিবার প্রথম টি ২০ আন্তর্জাতিক। বিরাট কোহলি আইপিএলে ওপেন করেন। কিন্তু ভারতীয় দলে সেই সুযোগ নেই। টি ২০ বিশ্বকাপে তিনি পছন্দের তিন থেকে নিজেকে নামিয়ে এনেছেন, তেমন নজির রয়েছে। তবে বিরাটকে তিনে ধরেই আপাতত এগোতে হবে।
সেক্ষেত্রে পাঁচ নম্বর জায়গাটি হবে উইকেটকিপারের। জিতেশ শর্মা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার পেস ও বাউন্স সহায়ক উইকেটে প্রায় পূর্ণশক্তির প্রোটিয়া-বাহিনীর বিরুদ্ধে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে পারেন তাহলে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারবেন লোকেশ রাহুল, এমনকী ঈশান কিষাণকে। জিতেশ তাই বিশেষভাবে নজরে থাকবেন আসন্ন সিরিজে।
২০২১ সাল থেকে পরিসংখ্যান দেখলে চলতি বছরের আইপিএলের মাঝামাঝি অবধি ৩০ বল কম খেলে দ্রুতগতিতে রান তুলেছেন এমন ব্যাটারের তালিকায় জিতেশ ছিলেন তৃতীয় স্থানে। দেড়শোর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করার নজির তিনি রেখেছেন। রান তাড়া করার সময় জিতেশের স্ট্রাইক রেট ১৯৪, যার ধারেকাছে কেউ নেই। চার বা তার নীচে তাঁর গড় ৩৭, স্ট্রাইক রেট ১৭৭।
লোকেশ রাহুলের প্রথম দিকে থিতু হতে সময় লাগে। স্ট্রাইক রেটের বিষয়টি রাহুলের বিপক্ষে যেতে পারে। ছয়ে হার্দিক নামলে, সাত নম্বর জায়গাটিতে দরকার এমন প্লেয়ার যিনি প্রথম বল থেকেই চালিয়ে খেলতে পারেন। এই নিরিখে ভারতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন রিঙ্কু সিং।
ফিনিশার হওয়ার সব গুণ রিঙ্কুর মধ্যে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আইপিএলে পাঁচ বলে পাঁচ ছক্কা হাঁকিয়ে কেকেআরকে জিতিয়ে ক্ষান্ত থাকেননি। আইপিএলে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৪২, গড় ৩৬। ঘরোয়া ক্রিকেটে গড় ৩২, স্ট্রাইক রেট ১৪৫। ১০টি টি ২০ আন্তর্জাতিকের পর রিঙ্কুর ব্যাটিং গড় ৬০, স্ট্রাইক রেট ১৮৮।
রিঙ্কু বাঁহাতি ব্যাটার। যদি রিঙ্কু ও জিতেশের মধ্যে কোনও একজনের সুযোগ মেলে তাহলে এগিয়ে থাকবেন রিঙ্কুই। জিতেশ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র দুটি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেছেন। প্রোটিয়াদের দেশে এই দুজন কেমন খেলেন তা টি ২০ বিশ্বকাপের জন্য তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত করে দিতে পারে।
আইপিএলের পর হবে টি ২০ বিশ্বকাপ। রিঙ্কু বা জিতেশের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার কতটা লম্বা হবে তা যাচাইয়ের সময় এখনও আসেনি। অনেকেই মনে করছেন, দীনেশ কার্তিক, দীপক হুডা বা বরুণ চক্রবর্তীদের কারেন্ট ফর্মের নিরিখে যেমন সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, তেমনই এবার সেই ফর্মুলায় নেওয়া যেতেই পারে রিঙ্কু ও জিতেশকে।
তবে বিরাট, রোহিতরা এলে রিঙ্কু কিংবা জিতেশ যে টি ২০ বিশ্বকাপের একাদশে থাকবেন তা নয়। রিঙ্কুকে সেক্ষেত্রে সাত নম্বর আগে ভাবা যাচ্ছেই না। সাতে রিঙ্কুকে খেলালে বোলিং বিভাগ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে অনেক বিষয় দেখেই তবেই দল চূড়ান্ত করা হবে। রিঙ্কু বা জিতেশের মধ্যে একজনও টি ২০ বিশ্বকাপের দলে থাকতেই পারেন। তবে সবটাই নির্ভর করবে আসন্ন সিরিজের উপর। শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি ২০ আর বিশ্বকাপের আগে পাবে না মেন ইন ব্লু।












Click it and Unblock the Notifications