IND vs NZ: মুম্বই টেস্টের পুনরাবৃত্তি চাইছে নিউজিল্যান্ড, একই টার্গেট ভারতেরও! কারণটা চমকে দেওয়ার মতো
IND vs NZ: বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম টেস্ট যখন ড্রয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে ধরে নিচ্ছিলেন সকলে, এমনকী ভারতের জয়ের ক্ষীণ আশাও দেখা যাচ্ছিল, তখন সব গোলমাল!
গোটা হিসেব উল্টে গেল নতুন বলে নিউজিল্যান্ডের বোলাররা দাপট দেখানোয়। তাতেই ম্য়াচ আপাতত ঝুঁকে নিউজিল্যান্ডের দিকে। টম লাথামের দলের জিততে চাই ১০৭ রান।

নিউজিল্যান্ড এই টেস্ট জিতলে ৩৮ বছর পর ভারতের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কায় ০-২ ব্যবধানে টেস্ট হেরে আসা কিউয়িরা এই টেস্ট জিতলে বাকি দুটি টেস্টের জন্যও প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহ করে ফেলবে। পঞ্চম দিনে ভারতীয় স্পিনাররা দাপট দেখালেও টার্গেট খুব বড় নয়। সেটাই ভারতের সমস্যা।
নিউজিল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই চাইছে ১৯৮৮ সালে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে দ্বিতীয় টেস্টের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে। সেবার জন রাইটের নিউজিল্যান্ডের কাছে দিলীপ বেঙ্গসরকারের ভারত মুম্বই টেস্ট হেরেছিল। তবে তিন টেস্টের সেই সিরিজ শেষ অবধি ভারত জেতে ২-১-এ।
সেই টেস্টে নিউজিল্যান্ডের ২৩৬ রানের জবাবে ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ছিল ২৩৪ রানে। এরপর নিউজিল্যান্ড ২৭৯ রান তোলে। ২৮২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভারত গুটিয়ে গিয়েছিল ১৪৫ রানে। জন ব্রেসওয়েল হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা। প্রথম ইনিংসে ৫২ রান করার পর ২ উইকেট নিয়েছিলেন। এরপর ৩২ রান করেন এবং বল হাতে ৬ উইকেট তুলে নেন।
কিউয়িদের মতো ভারতও চাইছে মুম্বই টেস্টেরই পুনরাবৃত্তি। তবে সেটি ২০০৪ সালের। সবচেয়ে কম রানের পুঁজি নিয়ে দেশের মাটিতে ভারতের টেস্ট জেতার রেকর্ড এই ম্যাচটিই। সেবার ওয়াংখেড়েতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারত সিরিজের চতুর্থ তথা শেষ টেস্ট খেলতে নেমেছিল।
রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন ভারতের প্রথম ইনিংসে ১০৪ রানের জবাবে রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে তোলে ২০৩। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২০৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ফলে অজিদের ১০৭ রানের টার্গেট দেয় ভারত। ঠিক যেমন চলতি বেঙ্গালুরু টেস্টে কিউয়িদের জেতার টার্গেট ১০৭।
যদিও অস্ট্রেলিয়া ৩০.৫ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। হরভজন সিং ২৯ রানে নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। মুরলী কার্তিক নেন তিন উইকেট। জাহির খান ও অনিল কুম্বলে নিয়েছিলেন ১টি করে উইকেট। দুই ইনিংসে সাত উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন মুরলী কার্তিক। সেই টেস্ট সিরিজ অজিরা জিতেছিল ২-১-এ।
হরভজন, কার্তিক, কুম্বলেরা যা পেরেছিলেন, তা কি করে দেখাতে পারবেন রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কুলদীপ যাদবরা। ম্যাচের শেষ বল না হওয়া পর্যন্ত মহান অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেটে কিন্তু সবই সম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications