IND vs NZ: মুম্বই টেস্টের আগে পরিকল্পনা বদল করল ভারত! পরামর্শ দিলীপের, সচিনের লজ্জার নজির ছোঁবেন রোহিত?
IND vs NZ: ভারত দেশের মাটিতে ১২ বছর পর টেস্ট সিরিজ হেরেছে। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে তৃতীয় তথা শেষ টেস্ট।
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে এই টেস্ট জিততেই হবে ভারতকে। না হলে আরও গাড্ডায় পড়বেন রোহিত শর্মারা। ভারতের সামনে মুম্বইয়ে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ বাঁচানোরও চ্যালেঞ্জ।

ভারত দেশের মাটিতে শেষবার টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার হ্যান্সি ক্রোনিয়ের দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে দুটি টেস্টেই হেরেছিল সচিন তেন্ডুলকরের ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে প্রথম টেস্টে হার ৪ উইকেটে। এরপর বেঙ্গালুরু টেস্টে ইনিংস ও ৭১ রানে হারে ভারত।
ওই টেস্ট সিরিজকে কেন্দ্র করেও উঠেছিল ম্যাচ গড়াপেটার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। মহম্মদ আজহারউদ্দিন দ্বিতীয় ইনিংসে শতরান করেও নির্বাসিত হয়েছিলেন। সেই টেস্ট সিরিজের পর ভারত দেশের মাটিতে আর হোয়াইটওয়াশ হয়নি কোনও দলের কাছে।
ফলে অধিনায়ক সচিনের যে লজ্জার নজিরটি রয়েছে, তা এড়ানোই এবার বড় চ্যালেঞ্জ আরেক মুম্বইকার রোহিতের কাছে। রোহিত মুম্বইয়ের ক্রিকেটার, দীর্ঘদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলায় ওয়াংখেড়ে তাঁর কাছে হোম গ্রাউন্ড। সেখানেই রোহিতের ভারতকে নামতে হচ্ছে ০-৩ ব্যবধানে সিরিজ হার বাঁচাতে।
এই টেস্টের আগে ভারত পরিকল্পনাতেও বদল আনছে। সাম্প্রতিককালে দেখা গিয়েছে টেস্ট শুরুর আগের দিন খুব কঠোর অনুশীলন করানো হয় না প্রথম একাদশের ক্রিকেটারদের। টেস্টের আগের ২ দিন যে প্র্যাকটিস সেশন থাকে, তাতে প্রথমটিতে জোরকদমে অনুশীলন হয়। পরের দিন রাখা হয় অপশনাল বা ঐচ্ছিক অনুশীলন।
ক্রিকেটাররা যাতে তরতাজা হয়ে মাঠে নামতে পারেন সে কারণেই এমনটা করার চল রয়েছে। তবে মুম্বই টেস্টে সেই ধারা বদলাচ্ছে। একটি সর্বভারতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বই টেস্টের আগে থাকছে না অপশনাল ট্রেনিং। অক্টোবরের ৩০ ও ৩১ তারিখ অনুশীলন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ভারতীয় দলে থাকা ১৬ ক্রিকেটারের জন্যই।
যেভাবে টার্নিং ট্র্যাকে ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ ভেঙে পড়ছে সেটাও উদ্বেগের। পুণেতে ঘূর্ণি পিচ বানিয়ে নিউজিল্যান্ডকে কাবু করার কৌশল ব্যুমেরাং হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ভারতীয় ব্যাটাররা যেখানে স্পিন খেলতে পারদর্শী, সেখানে বারেবারেই কেন স্পিন সামলাতে নাজেহাল হচ্ছেন তারকারা?
ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা নির্বাচকমণ্ডলীর প্রাক্তন প্রধান দিলীপ বেঙ্গসরকার একটি সর্বভারতীয় দৈনিকে বলেছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট না খেললে স্পিনারদের সামলানোর দক্ষতায় খামতি থেকে যায়। শুধু টার্নিং ট্র্যাকে খেলার কথা বলছি না। সামগ্রিকভাবে স্পিন আক্রমণ মোকাবিলার কথাই বলছি। ফলে সকলেরই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা উচিত।
উল্লেখ্য, বিসিসিআইয়ের কড়া দাওয়াইয়ে বেশিরভাগ ক্রিকেটারই রঞ্জি, দলীপ, ইরানি কাপ খেলছেন। তবে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের জন্য ছাড় রয়েছে। বেঙ্গসরকার সূচিকেও দায়ী করছেন। তাঁর কথায়, যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চলছে, তখন অনূর্ধ্ব ১৯ বা ভারতীয় এ দলের খেলা পড়লে আখেরে ঘরোয়া ক্রিকেটেরই গুরুত্ব কমছে।












Click it and Unblock the Notifications