Akash Deep: স্পট বোলিং! বাংলার অনুশীলনের সুফল আকাশের সাফল্যের নেপথ্যে, অভিমত লক্ষ্মীরতনের
Akash Deep: রাঁচিতে স্বপ্নের অভিষেক আকাশ দীপের। মুকেশ কুমারকে না খেলিয়ে আজ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে ভারতীয় একাদশে রাখা হয়েছে বাংলার পেসারকে।
প্রথম স্পেলে তিনি ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপের কোমর ভেঙে দেন। ৭ ওভারে ২৪ রান খরচ করে তিন উইকেট তুলে নিয়ে।

আকাশ দশম ওভারটি করতে গিয়ে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে সাজঘরে ফেরান যথাক্রমে বেন ডাকেট ও অলি পোপকে। ডাকেট ২১ বলে ১১ রান করে কট বিহাইন্ড হন। পোপ ২ বল খেলে কোনও রান না করে লেগ বিফোর হন। আম্পায়ার রড ডাকার প্রথমে আউট দেননি। ভারত রিভিউ নেয়, যার ফলে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন আম্পায়ার।
জ্যাক ক্রলির উইকেটটিও পেয়েছেন আকাশ দীপ। তবে ক্রলিকে আরও আগে আউট করতে পারতেন, ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি। ইংল্যান্ড ইনিংসের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম ডেলিভারিতে ক্রলির রক্ষণ ভেদ করে অফ স্টাম্প উপড়ে দিয়েছিলেন আকাশ। কিন্তু ওভারস্টেপিংয়ের কারণে এটি নো বল হয়। ক্রলির রান তখন ৪।
WWW 🤝 Akash Deep!
— BCCI (@BCCI) February 23, 2024
Follow the match ▶️ https://t.co/FUbQ3Mhpq9#TeamIndia | #INDvENG | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/YANSwuNsG0
ইংল্যান্ড ওপেনার জ্যাক ক্রলি ৪২ বলে ৪২ রান করে আকাশ দীপের বলে ফের বোল্ডই হন। ১১.৫ ওভারে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৫৭। আকাশ দীপের এমন দুরন্ত অভিষেকে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বাংলা দলের কোচ ও ক্রিকেটাররা। এমন নিয়ন্ত্রিত বোলিং দেখে তাঁরা অবাকও নন।
রাঁচি টেস্টের মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ফোনে কথা হচ্ছিল বাংলার হেড কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লার সঙ্গে। তাঁর মুখেও শোনা গেল আকাশের কেরিয়ারে সৌরাশিস লাহিড়ীর অবদানের কথা। অনূর্ধ্ব ২৩ বাংলা দলের কোচ থাকার সময় থেকেই সৌরাশিস গাইড করেছেন আকাশকে। আকাশের উত্থানে অবদান সিএবির ভিশন ২০২০-র।
লক্ষ্মীরতন শুক্লা ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে বলেন, দারুণ বোলিং করেছেন আকাশ দীপ। সিএবির ডর্টিমরিতে থাকেন। ডেডিকেশন আর কঠোর পরিশ্রমই আকাশকে আজ এই জায়গায় পৌঁছে দিল। আকাশের বোলিংকে ক্ষুরধার করতে কোচেদের অবদান যেমন রয়েছে, তেমনই ওঁকে ফিট রাখতে বাংলা দলের ফিজিও, ট্রেনারদেরও অবদান অনস্বীকার্য।
আকাশের একের পর এক ডেলিভারিতে যেভাবে পর্যুদস্ত হচ্ছিলেন ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা তা দেখে লক্ষ্মীর উপলব্ধি, সঠিক অনুশীলনেরই সুফল পাচ্ছেন আকাশ। আর তা হলো স্পট বোলিং। যার ফলে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের আশেপাশে বল করেও কখনও নিয়ন্ত্রণ হারাননি, ফোকাস সরেনি আকাশ দীপের।
লক্ষ্মী জানালেন, বাংলা দলের অনুশীলনে আকাশ-সহ বোলারদের স্পট বোলিং করানো হয়। অর্থাৎ বল একই জায়গায় রাখতে হবে। এতে মনঃসংযোগ বাড়ে, হ্যান্ড স্পিড মুভমেন্টেরও উন্নতি হয়। তবে আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমার দুজনই আলাদা ধরনের বোলার বলে উল্লেখ করেন লক্ষ্মী।
বাংলার হেড কোচের কথায়, একজন ভালো স্যুইং করাতে পারেন, আরেকজন বল ভালো হিট করতে পারেন। আকাশ দীপের বড় গুণ তাঁর হার্ডিনেস। মুকেশকে বসিয়ে আকাশ দীপকে খেলানোর কারণ হিসেবে লক্ষ্মী মনে করছেন, মুকেশ চলতি মরশুমে দেশ ও রাজ্য দলের হয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছেন। আকাশ সেই তুলনায় কম খেলেছেন। মুকেশের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট আকাশের টেস্ট অভিষেকের পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে দুজনেই ভালো বোলার।












Click it and Unblock the Notifications