IND vs ENG: একটা বা দুটো ইনিংস আমার মানসিকতা পরিবর্তন করবে না, রানে ফিরেই আবেগপ্রবণ বার্তা রোহিতের
রানে ফিরলেন রোহিত শর্মা। যাবতীয় সমালোচনা মহানদীতে ভাসিয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেই স্বমহিমায় হিটম্যান। কটকের বরবাটি স্টেডিয়ামে শতরান করে রোহিত যেন বুঝিয়ে দিলেন এখনও তিনি ফুরিয়ে যাননি। ম্যাচ শেষে নিজের মনের কথা বিসিসিআই টিভির সামনে তুলে ধরলেন রোহিত।
লাল বল হোক বা সাদা, সাম্প্রতিক সময়ে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না রোহিত শর্মা। ব্যাট হাতে নামলেই ব্যর্থ হচ্ছিলেন। নাগপুরে প্রথম একদিনের ম্যাচে রোহিত শর্মার ব্যাট থেকে এসেছে ২ রান। কটকে নামার আগে শেষ ১০ ইনিংসং রোহিত শর্মা করেছেন ২, ৩, ৯, ১০, ৩, ৬, ১৮, ১১, ০, ৪ রান। ফলে তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা। কিন্তু বয়স যে একটা সংখ্যামাত্র তা ফের একবার প্রমাণ করলেন রোহিত।

রান করলেন দলকে জেতালেন, সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ছন্দও ফিরে পেলেন। কিন্তু আগ্রাসনটা মাঠে ফেলে এলেন, ম্যাচ শেষের পর ক্যামেরার সামনে শান্ত, সেই সঙ্গে কিছুটা আবেগপ্রবণও ভারত অধিনায়ক। ২ মিনিটের একটু বেশি সময়ের বক্তব্যে সমালোচকদের পাল্টা কটাক্ষ নয় বরং রোহিত শুধুই আবেগে ভাসলেন, চোখের কোণটা যেন একটু ভিজেও যাচ্ছিল।
বিসিসিআই টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিত বলেন, একজন যখন দীর্ঘদিন ধরে খেলেন এবং রান করেন তখন তাঁকে বুঝতে হবে, আমি দীর্ঘ সময় ধরে খেলছি ফলে আমি জানি দল আমার থেকে কী চায়। আজ আমি যেটা করেছি সেটাই আমার কাজ। আমি দীর্ঘদিন ধরে খেলছি ফলে একটা বা দুটো ইনিংস আমার মানসিকতায় কোনও পরিবর্তন করতে পারবে না। এটা আমার কাছে আরও একটা দিন অফিস করার মতোই। আমি আমার কাজটা করেছি, আমাদের কাজ হল মাঠে নেমে খেলা।
একইসঙ্গে রোহিত বলেন, আমি যখনই ব্যাট করতে নামি তখনই নিজের ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি, কখনও সেটা হয় আবার কখনও সেটা হয় না। তবে আমি নিজে কী করতে চাই সেটা নিজের কাছে পরিষ্কার থাকি। ফলে বাকি কোনও কিছু আমার কাছে বিষয় নয়। যখনই ভালো খেলি তখন ভাবি সঠিক পথেই সব কিছু এগোচ্ছে। আমি খেলাটা উপভোগ করি। যদি খেলাটা উপভোগই না করা যায় তাহলে তার কোনও গুরুত্ব থাকে না।
কটকে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে সসেঞ্চুরির সৌজন্যে একদিনের ক্রিকেটে রিকি পন্টিংকে টপকে সর্বোচ্চ শতরানকারীদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিলেন রোহিত শর্মা। এটি রোহিতের ৩২তম ওডিআই শতরান। তাঁর সামনে শুধু সচিন তেন্ডুলকর ও বিরাট কোহলি। একই সঙ্গে ওপেবার হিসাবে সচিনের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিত। সচিন তেন্ডুলকর ৩৪৬ ম্যাচে ৪৮.০৭ গড়ে ১৫৩৩৫ রান করেছেন। বীরেন্দ্র শেহওয়াগ ভারতীয় ওপেনারদের তালিকায় ১ নম্বরে আছেন। বীরু ৩২১ ম্যাচে ৪১.৯০ গড়ে ১৫৭৫৮ রান করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications