IND vs ENG: ধ্রুব জুরেলের কেরিয়ার কীভাবে বদলে দেয় একটা ছক্কা? টেস্টের সাফল্যে গর্বিত রাজস্থান রয়্যালস
IND vs ENG: মহেন্দ্র সিং ধোনির শহর রাঁচিতে ভারতীয় টেস্ট দলকে ভরসা দিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটার ধ্রুব জুরেল। রাজকোট টেস্টে অভিষেকে খেলেছিলেন ৪৬ রানের ইনিংস।
রাঁচি টেস্টে দলের বিপর্যয় রুখে সম্মানজনক জায়গায় ভারতকে পৌঁছে দেন জুরেল। ৬টি চার ও চারটি ছয়ের সাহায্যে ১৪৯ বলে ৯০ রান করেন। হার্টলির বলে বোল্ড হয়ে শতরান হাতছাড়া করেন ১০ রানের জন্য।

জুরেলের ইনিংস দেখে ধোনির ছায়া দেখতে পেয়েছেন সুনীল গাভাসকর-সহ অনেক বিশেষজ্ঞই। চাপের মুখে যেভাবে তিনি মজবুত রক্ষণের পাশাপাশি মারার বলগুলিতে চালিয়ে খেলতে দ্বিধাবোধ করেননি তাতে তাঁর টেম্পারামেন্ট প্রশংসিত হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা রাঁচির পিচ ছিল চ্যালেঞ্জিং। সেখানেই দলের হয়ে সর্বাধিক স্কোর।
কেএস ভরত সুযোগ পেয়েও সদ্ব্যবহার করতে পারেননি। কিন্তু সুযোগের সদ্ব্যবহার কীভাবে করতে হয় তার বড় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জুরেল। ২০২২ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক। রাঁচি টেস্টের আগে অবধি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একটি শতরান ও পাঁচটি অর্ধশতরান রয়েছে, ১৬ ম্যাচে ৮৩৬ রান করেছেন।
জুরেলের কেরিয়ারে বড় অবদান রাজস্থান রয়্যালসের। কার্তিক ত্যাগী তাঁকে ট্রায়ালে পাঠিয়েছিলেন ২০২২ সালে। তখনও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। দেশের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। ধ্রুব জুরেলের সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছিলেন আরিয়ান জুয়াল।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে রাজস্থান রয়্যালসের হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর জুবিন ভারুচা বলেন, একস্ট্রা কভারের উপর দিয়ে অনবদ্য একটি ছক্কা মেরেছিলেন ধ্রুব। সেটা দেখেই আমি ঠিক করি, নিলামে জুরেলকে নিতে ঝাঁপাব। আরিয়ান জুয়ালও ভালো ব্যাট করেছিলেন। কিন্তু ধ্রুবর মধ্যে এক্স ফ্যাক্টর লক্ষ্য করি।
রাজস্থান রয়্যালসের সিলেকশন টিমের সঙ্গে কথা হয় ভারুচার। জুয়াল ও জুরেলের মধ্যে কাকে নেওয়া হবে তা নিয়ে যখন কথাবার্তা চলছিল, তখন ভারুচাই বলেন, জুরেলের শটটি সকলকে দেখার জন্য। ওই একটি শট দেখেই সকলে সহমত হন নিলামে জুরেলকে নেওয়ার জন্য।
২০২৩ সালে আইপিএলে ১৩টি ম্যাচে ১৫২ রান করেন জুরেল। স্ট্রাইক রেট ১৭২.৭৩। ভারুচা জানান, ধ্রুবকে দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন সাদা বলের ক্রিকেটে খেলার পক্ষেই তিনি উপযোগী। কিন্তু আমরা তাঁকে ১৮ মাস ধরে এমনভাবে অনুশীলন করাচ্ছি যাতে তিনি সব ফরম্যাটেই রান পান।
জুবিন ভারুচা জানান, ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজের আগেও রাজস্থান রয়্যালসের আকাদেমিতে গিয়েছিলেন জুরেল। স্পিন সহায়ক পিচে দৈনিক ১৪০ ওভার করে ব্য়াট করেছেন। চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলেছে অনুশীলন। যশস্বী জয়সওয়ালের অনুশীলনের সঙ্গে যা তুলনীয়। তাছাড়া জুরেলের কিপিংও ট্রায়ালের সময় থেকেই মন কেড়েছিল সকলের।












Click it and Unblock the Notifications