IND vs ENG: আকাশ দীপ সাফল্য উৎসর্গ করলেন কাকে? বুমরাহর পরামর্শ মেনেই বোলিং, আইডল কারা?

IND vs ENG: আকাশ দীপের ধাক্কায় রাঁচি টেস্টের প্রথম সেশনে বিপদে পড়েছিল ইংল্যান্ড। যদিও পরের দুটি সেশনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেন স্টোকসের দল। মূলত জো রুটের শতরানে ভর করে।

বাংলার পেসার আকাশ দীপ প্রথম স্পেলে ৭ ওভারে ২৪ রান খরচ করে তিন উইকেট দখল করেছিলেন। আর কেউ এদিন তিন উইকেট পাননি। আকাশের বোলিং ফিগার ১৭ ওভার ৭০ রান তিন উইকেট।

IND vs ENG: আকাশ দীপ সাফল্য উৎসর্গ করলেন কাকে?

আকাশের অভিষেকের সময় উপস্থিত ছিলেন মা, ভাইঝি। আকাশ বললেন, অভিষেক টেস্ট বলে নার্ভাস ছিলাম না। কোচেদের সঙ্গে কথা হয়েছিল। আমি প্রতিটি ম্যাচই নিজের শেষ ম্যাচ ভেবে খেলতে নামি। সেরাটা দিয়েছি। ঘরোয়া ক্রিকেটের তুলনায় একটু অন্যরকম লেংথে বল করেছি।

আকাশের কথায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাটাররা বোলারদের শাসন করতে চান। ফলে জসপ্রীত বুমরাহ পরামর্শ দিয়েছিলেন ব্যাক লেংথে বল করতে। সেটাই করেছি। তবে বলতে পারব না কীভাবে প্রথম স্পেলেই তিন উইকেট পেলাম। হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়, অধিনায়ক রোহিত শর্মাও বলেছিলেন, নতুন কিছু না করতে, সিম্পল থাকতে। আগে যা করে সাফল্য পেয়েছি তা-ই করতে।

প্রসেসের কথাই বারবার উঠে এসেছে আকাশের কথায়। জ্যাক ক্রলির উইকেট ছিটকে দিয়েছিলেন নিজের দ্বিতীয় ওভারেই। কিন্তু নো বল হওয়ায় জীবন পান ক্রলি। আকাশ বললেন, এর পরের ওভারেই মহম্মদ সিরাজের বলে ক্রলি তিনটি চার ও একটা ছক্কা মেরেছিলেন। তখন ভাবছিলাম আমার ভুলে যাতে দলের ক্ষতি না হয়। তবে আমিই তাঁকে দ্রুত ফেরাতে পেরেছি।

আকাশ জানালেন, নতুন বল প্রথমে শক্ত থাকায় উইকেটে প্রথমদিকে কিছুটা সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। তবে বেলা গড়াতে বল যখন নরম হয়, উইকেট তখন শুষ্ক ও মন্থর হয়ে যায়। বল স্যুইং করানো যায়নি। ফলে রান তোলার গতিতে রাশ টানার লক্ষ্যে বোলিং শুরু করি।

ইংল্যান্ড ৯০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩০২। যে ফর্মুলায় তারা খেলে তাতে এই রানে আটকে রাখা ভারতীয় বোলাররা ভালো জায়গায় বল করাতেই সম্ভব হয়েছে বলে জানান আকাশ। তিনি বলেন, ভারতে যারাই ক্রিকেট খেলা শুরু করে সকলের লক্ষ্য থাকে দেশের হয়ে টেস্ট খেলা। টেস্ট ক্যাপ পাওয়া।

আকাশ দীপ বলেন, আমি বাংলায় গিয়ে সাপোর্ট পেয়েছি। সেখান থেকে রঞ্জি খেলেছি। আবার রাঁচি থেকে আমার গ্রামও খুব দূরে নয়। পরিবারের সদস্যরা এসেছিলেন। তবে আবেগের চেয়েও বেশি সতর্ক ছিলাম দায়িত্ব সম্পর্কে। ম্যাচে কীভাবে বল করব, কীভাবে দেশের হয়ে অবদান রাখব সেই ভাবনা চলছিল।

নির্দিষ্ট সংখ্যক উইকেট নেওয়ার লক্ষ্যে নামেননি বলে দাবি আকাশ দীপের। নিজের শক্তি বুঝে ভালো জায়গায় বল ফেলাই লক্ষ্য ছিল। আকাশ বলেন, আমি যেখান থেকে উঠে এসেছি সেখানে ক্রিকেট বলে কিছু ছিল না। ২০০৭ সাল থেকে টেনিস বলে ক্রিকেট খেলতাম। ২০১৬ সালে লেদার বলে ক্রিকেট খেলি। মহম্মদ শামির বল ফলো করতাম। কাগিসো রাবাডাকেও ফলো করি।

আকাশ জানালেন, ভারতীয় দলে আসার পর আমার সম্পর্কে নানা তথ্য জেনেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। একই বছরে বাবা ও দাদাকে হারানোর পর ঠিক করেছিলাম কিছু করতে হবে। ক্রিকেট খেলতে বেরিয়ে পড়লাম। বাংলায় ভালো পরিবেশে দারুণ সাপোর্ট পেয়েছি। আমার সফরে পরিবারের ভূমিকাও অনস্বীকার্য।

একই বছরে বাবা ও দাদাকে হারালে পরিবারের কী পরিস্থিতি হয় তা সকলেই বোঝেন। ফলে আকাশ ঠিক করেছিলেন, এবার থেকে হারানোর কিছু নেই। যা কিছু আছে তা পাওয়ার। সাংবাদিকদের আকাশ বললেন, আজকের পারফরম্যান্স বাবাকেই উৎসর্গ করব। তিনি চাইতেন, সন্তানরা জীবনে কিছু না কিছু উন্নতি করুক। তিনি বেঁচে থাকতে কিছু করে দেখাতে পারিনি। তবে আজকের দিনটি তাঁকেই উৎসর্গ করছি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+