রাঁচিতে খেলতে নামার আগে যে ভুলগুলি শুধরে নিতে হবে টিম ইন্ডিয়াকে
রাঁচি টেস্টে কতকগুলি জায়গা রয়েছে যেগুলিকে শুধরে নিতে হবে ভারতকে। সেগুলি কি কি তা জেনে নেওয়া যাক একনজরে।
চার টেস্টের সিরিজে প্রথম দুটি টেস্টের পর ভারত-অস্ট্রেলিয়া দুটি দলই একটি করে টেস্ট জিতেছে। এখনও বাকী রয়েছে দুটি টেস্ট। রাঁচিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তৃতীয় টেস্ট। ফলে এই ম্যাচে যে দল ভালো ফল করবে, সিরিজ জেতার ব্যাপারে তারা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। বেঙ্গালুরু টেস্টে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ ভারতকে জিতিয়ে এনেছেন বোলাররা। রবিচন্দ্রণ অশ্বিন একাই দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয় ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দিয়েছেন।[(প্রিভিউ) রাঁচিতে তৃতীয় টেস্ট : সিরিজে লিড পেতে মরিয়া ভারত-অস্ট্রেলিয়া দুই শিবির ]
তবে প্রথম দুটি টেস্টে বিচ্ছিন্নভাবে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা ভালো ইনিংস খেললেও সার্বিকভাবে ভারতীয় ব্যাটিং সেভাবে মেলে ধরতে পারেনি। অধিনায়ক কোহলিও চার ইনিংসে মাত্র ৪০ রান করেছেন। ফলে রাঁচি টেস্টে তিনি কেমন খেলেন তার উপরে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অনেককিছু নির্ভর করছে। তবে এই টেস্টে কতকগুলি জায়গা রয়েছে যেগুলিকে শুধরে নিতে হবে ভারতকে। সেগুলি কি কি তা জেনে নেওয়া যাক একনজরে।

পার্টনারশিপ তৈরি করা
দুটি টেস্ট মিলিয়ে ভারতের মাত্র তিনটি বড় রানের পার্টনারশিপ হয়েছে। যেখানে অস্ট্রেলিয়া মোট সাতবার বড় পার্ডটনারশিপ গড়েছে। চার ইনিংস মিলিয়ে সাতবার বড় পার্টনারশিপ গড়েছে অজি শিবির। ভারত চার ইনিংসে ১০৫, ১০৭, ১৮৯ ও ২৭৪ রান করেছে। অর্থাৎ একবারই মাত্র ২০০ রানের গণ্ডী টপকেছে ভারত। এই জায়গাতেই পিছিয়ে রয়েছে ভারত।

ডিআরএস
ভারত এই সিরিজে ১৩ বার ডিআরএসের জন্য আবেদন করেছে। তার মধ্যে মাত্র ২ বার তাদের আবেদন সঠিক হয়েছে। বিরাট কোহলি যেমন বেঙ্গালুরু টেস্টের দুই ইনিংসে রিভিউয়ের আবেদন করেন ও দুবারই ব্যর্থ হন। স্টিভ স্মিথের বিরুদ্ধে তিনবার ডিআরএসের আবেদন করে ভারত ও প্রতিবারই বিফল হয়। ফলে ডিআরএসের ব্যবহার আরও সতর্ক হয়ে করতে হবে ভারতকে।

লোয়ার অর্ডার ব্যাটিং
ইংল্যান্ড সহ আগের টেস্ট সিরিজগুলিতে ভারতের লোয়ার মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডার ভালো ব্যাটিং করেছে। তবে এই সিরিজে এখনও সেভাবে মেলে ধরতে পারেনি। শেষদিকে ঋদ্ধিমান সাহা, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রণ অশ্বিনের মতো ব্যাটসম্যানরা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে ভারতের ব্যাটিংয়ের মুখরক্ষা হবে।

নো বল
দুটি টেস্টে ভারত মোট ১৫টি নো বল করেছে। এদিকে অস্ট্রেলিয়া নো বল করেছে মাত্র একটি। নো বল করায় ভারত মোট ২টি উইকেট খুইয়েছে। প্রথম টেস্টে জয়ন্ত যাদবের নো বলে বোল্ড হয়েও বেঁচে যান ডেভিড ওয়ার্নার। পরে দ্বিতীয় টেস্টেও প্রথম ইনিংসে ইশান্ত শর্মার নো বলে এলবিডব্লিউ হয়েও শন মার্শ বেঁচে যান। ফলে নো বল যাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রভাব ফেলতে না পারে সেদিকে নজর দিতেই হবে ভারতকে।












Click it and Unblock the Notifications