IND vs AUS 2nd T20I: রিঙ্কুর ছাত্র তিলক! কোন দক্ষতা রপ্ত করে বাজিমাতের প্রয়াস?
IND vs AUS 2nd T20I: রাজ্য ও আইপিএল দলের পাশাপাশি ভারতীয় দলের হয়েও ফিনিশারের ভূমিকায় ভরসা দিতে চান রিঙ্কু সিং। বিশাখাপত্তনমে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতাতেও তার প্রমাণ রেখেছেন।
শেষ বলটি নো বল হওয়ায় ওই বলে রিঙ্কুর হাঁকানো ছয় ধর্তব্যে আসেনি। কিন্তু বলটি বৈধ হলে রিঙ্কুর ছক্কাটিই হতো উইনিং শট। ভারতীয় দল এখন তৈরি করা হচ্ছে আগামী ৩-৪ বছরের রূপরেখাকে সামনে রেখে।

সিনিয়রদের জায়গা নেওয়া রাতারাতি সম্ভব নয়। তবে এক প্রজন্মের হাত থেকে অন্য প্রজন্মের হাতে ব্যাটন যাওয়াটাই মসৃণ হওয়াই কাম্য। রিঙ্কু সিংয়ের মতোই যে তরুণ ক্রিকেটারদের উপর নির্বাচকরা আস্থা রাখছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম তিলক বর্মা। ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি আইপিএলেও দলকে জেতাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিলক।
হায়দরাবাদের তিলক মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল খেলেন। দেশের হয়ে ১টি ওডিআই ও ১১টি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেছেন। টি ২০ আন্তর্জাতিকে দুটি অর্ধশতরানও রয়েছে। লিস্ট এ-তে ৫টি ও টি ২০-তে তিলকের নামের পাশে ১টি শতরান। টি ২০-তে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ১৫টি, একদিনের ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫।
রিঙ্কু সিং বিশাখাপত্তনমের ইনিংস খেলার পর জানিয়েছেন, মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ বের করার ক্ষেত্রে তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। লক্ষ্য থাকে শেষ অবধি টিকে থাকা। শেষের দিকে স্ট্রেট শট মারার চেষ্টা করাতেই সাফল্য মিলছে। ধোনির মতো ফিনিশার ভারত পায়নি। সেই ধোনিই তৈরি করছেন পরের প্রজন্ম।
রিঙ্কু সিং আপাতত সেই বিষয়ে বাকিদের চেয়ে এগিয়ে। চাপের মুখেও হিমশীতল মস্তিষ্ককে সঙ্গী করে। রিঙ্কুর থেকে এই দক্ষতা শিখছেন তিলক। তিনি বলেন, ম্যাচ ফিনিশ করার বিষয়টি রিঙ্কুর কাছ থেকে রপ্ত করছি। কেন না, দেশের হয়ে এবং অন্যান্য ম্য়াচেও তিনি বারবার তা করে দেখাচ্ছেন। আশা করি আগামী ম্যাচগুলিতে আমিও তেমনটা পারব।
ভারতের হয়ে মিডল অর্ডারে নামা তিলকের স্ট্রাইক রেট ১৪১.২৭। এশিয়ান গেমসে হাংঝৌয়ে গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২৬ বলে অপরাজিত ৫৫ এবং গত অগাস্টে প্রভিডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৫১ বলে ৫১ ও ৩৭ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংস খেলেন। টারৌবায় ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে করেন ২২ বলে ৩৯, লডারহিলে ১৮ বলে ২৭।
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বড় ইনিংস খেলে দেশকে জিতিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ খুঁজছেন তিলক। তাঁর কথায়, প্রত্যাশার চাপ অনুভব করছি না। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে সেটা পালন করারই চেষ্টা করছি। পাঁচ নম্বরে নেমে ঝোড়ো ইনিংস যেমন খেলতে তৈরি, তেমনই প্রয়োজনমতো স্কোরবোর্ড সচল রাখব।
আগের ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিলক বলেন, আমাদের প্রতি ওভারে ১০ রান দরকার ছিল। লেগ স্পিনার বল করতে আসায় ঠিক করি ওই বোলারের বিরুদ্ধে আমি আগ্রাসী ব্যাটিং করব। জোরে বোলারকে সামলাবেন ক্রিজে থিতু হওয়া সূর্যকুমার যাদব। তিলক এবারের সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট। সেই ভালো ফর্মই আপাতত অব্যাহত রাখতে চান। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকাতেও টি ২০ সিরিজ খেলবে ভারত। একদিনের সিরিজেও দেখা যেতেই পারে তিলককে।












Click it and Unblock the Notifications