ICC World Cup 2023: টানটান থ্রিলার শেষে রুদ্ধশ্বাস জয় প্রোটিয়াদের,বাবরদের হারে শীর্ষস্থান হারাল ভারত
একদিনের বিশ্বকাপে শেষ চারের আশা জিইয়ে রাখতে হলে শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এই ম্যাচ ছিল কার্যত ডু অর ডাই। কিন্তু প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে হেরে বিশ্বকাপ থেকে প্রায় বিদায় ঘণ্টা বেজে গেলে বাবর আজমেদর। টান টান থ্রিলার শেষে এক উইকেটে জয় তুলে নিল প্রোটিয়ারা।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। চোট পেয়ে পাকিস্তান ম্যাচে খেলতে পারলেন না কাগিসো রাবাদা। প্রোটিয়াদের দলে ফিরেছেন অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। কিন্তু পাক দলের দুই ওপেনারই রান পাননি। আব্দুল্লাহ শাফিকি ৯ এবং ইমাম উল হক ১২ রানে আউট হন। কঠিন সময়ে আরও একবার দলের হাল ধরলেন অধিনায়ক বাবর আজম। ৫০ রান করলেন বাবর।

৪৬.৪ ওভারে ২৭০ রানেই শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। প্রোটিয়াদের হয়ে শামসি ৪টি, মার্কো জানসেন ৩টি উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে গত ম্যাচে বিধ্বংসী ব্যাটিং করা ডি কক বড় রান করতে ব্যর্থ হন। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৪ রানেই ফেরেন প্রোটিয়া উইকেটরক্ষক। এরপর বড় রান করতে ব্যর্থ হলেন অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ২৮ রান করেই ওয়াসিমের বলে ফিরলেন দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক। ২১ রানে ডুসেনের উইকেট নিলেন উসামা মীর।

তবে জয়ের পথেই ক্রমশ এগোতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে মার্করাম এবং কোর্টজির উইকেট পর পর হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে য়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা, খাদের কিনাড়া থেকে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। কিন্তু ক্রিকেট ঈশ্বর প্রোটিয়াদের পক্ষেই ছিলেন। হাতে ছিল অনেক বল, রানও কম ছিল। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে থাকেন নুঙ্গি এবং কেশব মহারাজ। কিন্তু নুঙ্গি আউট হতেই চাপ আরও বাড়ে।
বল হাতে তিন উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে কামাল করলেন শামসি। কঠিন পরিস্থিতিতেই চার মেরে ম্যাচ জিতিয়ে দিলেন কেশব মহারাজ। শেষ পর্যন্ত এক উইকেটে জয় পেল প্রোটিয়ারা। ৬ ্ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ভারতকে সরিয়ে শীর্ষে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রথমবার পাক দল বিশ্বকাপে পর পর চার ম্যাচে হারের মুখ দেখল। ৬ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ৬ নম্বরে থাকল বাবররা।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি তিনটি উইকেট নেন। এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে ব্যবহার করা হল কনকাশন পরিবর্ত। চি্পকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় পাক ক্রিকেটার শাদাব খানের মাথায় চোট পান। বল কুড়িয়ে বোলারের প্রান্তের দিকে ছোড়েন। কিন্তু সেই সময় শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেননি। মাটিতে আছাড় খান। মাথা সজোরে মাঠের সঙ্গে ঠুকে যায়। তাঁর পরিবর্ত হিসাবে নামেন উসামা মীর। তিনি বোলিংও করেন এবং উইকেটও পান।












Click it and Unblock the Notifications