ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে পাকিস্তান টানা ৭ ম্যাচে পরাস্ত ভারতের কাছে! হারের কারণ খুঁজতে হিমশিম প্রাক্তনরা
ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইমরান খানের পাকিস্তান। কিন্তু সেবারও ভারতকে হারাতে পারেনি ভারত। এরপর আরও ৬টি বিশ্বকাপ গিয়েছে। জয় অধরাই থেকেছে পাক-বাহিনীর।
অক্টোবরের ১৪ তারিখ, অর্থাৎ আগামী শনিবার আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফের বিশ্বকাপের আসরে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। ভারত তাকিয়ে টানা অষ্টম জয় ছিনিয়ে নিতে।

ভারতের কাছে ৭ বার হারের খোঁচা সামলানোর বিষয়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রম বলেছেন, আমি এখনও কারণ খুঁজে বের করতে পারিনি। তবে এই খরা একদিন নিশ্চিতভাবেই কাটবে। বর্তমানে পাকিস্তানের যে দল রয়েছে সেই দলই ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে জয়ের খরা কাটাতে পারবে ভারতের বিরুদ্ধে। টি ২০ বিশ্বকাপের মতোই।
প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ইনজামাম উল হক ওই সাতটির মধ্যে চারটিতে খেলেছেন। তাঁর কথায়, হয়তো ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন ভারত আমাদের থেকে ভালোভাবে চাপ সামলাতে পেরেছে। তাছাড়া টস জেতাও তাদের অ্যাডভান্টেজ হয়েছে। যদিও পরিসংখ্যান বলছে, ভারত টস জিতেছে পাঁচটিতে। দুটিতে টস জিতেও জয় অধরাই থেকেছে পাকিস্তানের।
২০০৩ ও ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল। প্রথম ক্ষেত্রে সচিন তেন্ডুলকর ও দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বিরাট কোহলির ব্যাটিংই ফারাক গড়ে দিয়েছিল। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারার পর অধিনায়কত্ব য়ায় সরফরাজ আহমেদের।
২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। তৎকালীন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদিও বলেছিলেন, কেন হারলাম তা মাথায় আসছে না। এত ভালো খেলে আমরা সেমিফাইনালে উঠলাম। তারপরেও হেরে গেলাম! টি ২০ বিশ্বকাপে টানা পাঁচবার হারের পর ২০২১ সালে দুবাইয়ে ভারতকে হারিয়েছিল পাকিস্তান। এবার আমেদাবাদে তারা তেমন কিছুরই অপেক্ষায়।
১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুতে ভারতের কাছে হারার পর উত্তাল হয়েছিল পাকিস্তানের পরিস্থিতি। ভয়ে ক্রিকেটাররা নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরতে পারেননি। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ফিরলেও আক্রমদের চারদিন অপেক্ষা করতে হয় বাড়ি ঢোকার জন্য। এবার তেমন কিছু হবে কিনা তা বলবে সময়।

তবে এবার বিশ্বকাপে টানা দুটি জয় পেয়েছে পাকিস্তান। গতকাল রেকর্ড রান তাড়া করে বিশ্বকাপে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। পাকিস্তান দল অধিনায়ক বাবর আজমের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুনীল গাভাসকর। তিনি প্রশংসা করেছেন মহম্মদ রিজওয়ান ও আবদুল্লাহ শফিকের ম্য়াচ-জেতানো ইনিংসের।
গাভাসকরের কথায়, রিজওয়ানের দক্ষতা সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। কিন্তু আবদুল্লাহকে দেখে মনে হয় টেস্ট ব্যাটার। কিন্তু যেভাবে রিজওয়ানের সঙ্গে তিনি ইনিংস এগিয়ে নিয়ে গেলেন তা গ্রেট। বাবর ব্যর্থ হলেও বাকি ব্যাটাররা রয়েছেন যাঁরা রান করতে পারেন। এতে সব সময় রান করার চাপ থাকবে না বাবরের উপর, সেটা তাঁর পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications