ঘটল না কোনও অঘটন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সহজ জয় তুলে নিল নিউজিল্যান্ড। ১৪৯ রানে বিরাট জয় পেল কিউয়িরা। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অঘটন ঘটানো আফগানিস্তান এই ম্যাচে পুরোপুরি ব্যর্থ। টানা ৪ ম্যাচ জিতে শীর্ষে উঠে এল নিউজিল্যান্ড।
নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাটিং করে।কিউয়ি ওপেনার ডেভন কনওয়ে ২০ রান করে আউট হলেও অন্য ওপেনার উইল ইয়ং সাবলীল ব্যাটিং করলেন। ৪টি চার এবং ৩টি ছয়ের সাহায্যে তিনি করলেন ৫৪ রান। তিন নম্বরে নামা রাচিন রবীন্দ্র এবং চার নম্বরে নামা ড্যারিল মিচেল একেবারেই ব্যর্থ হন।
ছবি সৌজন্য পিটিআই
মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান দ্রুত সাজঘরে ফেরায় কিছুটা চাপ তৈরি হয় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংসে। কিন্তু খেলার হাল ধরেন ল্যাথাম ও ফিলিপ্স। ল্যাথাম ৬৮ ও ফিলিপ্স ৭১ রানে আউট হন। শেষ দিকে চালিয়ে খেলে ১২ বলে অপরাজিত ২৫ রান করেন মার্ক চাপম্যান। নিউজ়িল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে তুলল ৬ উইকেটে ২৮৮ রান। আফগান বোলারদের মধ্যে নবীন ৪৮ রানে ও ওমরজ়াই ৫৬ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
ম্যাচ জিততে আফগানিস্তানকে তুলতে হত ২৮৯ রান। মনে করা হয়েছিল ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চমক দেওয়া আফগানরা এই ম্যাচেও কঠিন লড়াই দেবেন। কিন্তু কিউয়ি বোলারদের দাপটে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারল না পাঠানরা। নিউজিল্যান্ডের টার্গেটের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩৯ রানেই অলআউট হয়ে গেল আফগানরা। ৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে থাকল আফগানরা।
ছবি- পিটিআই
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করলেন রহমত শাহ। তাঁর ৬২ বলে ৩৬ রানের ইনিংসে রয়েছে ১টি বাউন্ডারি। ইংল্যান্ড ম্যাচে সর্বোচ্চ রান করা গুরবাজ এই ম্যাচে পুরোপুরি ব্যর্থ বলেন।এমনকি মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরাও রান পেলেন। শুধু এলেন আর গেলেন। আফগানিস্তান ৯৭-৩ থেকে ১৩৯ রানেই অলআউট। মিচেল স্যান্টনার অনবদ্য একটা ক্যাচ নেন। বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ক্যাচ হতে পারে এটি।
ছবি- পিটিআই
নিউজিল্যান্ডের হয়ে মিচেল স্যান্টনার উইকেটে তিন উইকেটও। এছাড়াও তিন উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। দুটি উইকেট নেন বোল্ট। ১৪৯ রানের বিশাল জয়ে পয়েন্ট টেবলে শীর্ষে উঠে এল নিউজিল্যান্ড। চার ম্যাচের মধ্যেই চারটিতেই জয় পেল নিউজিল্যান্ড। তাদের রান রেট প্লাস ১.৯২৩। অন্যদিকে ৩ ম্যাচে তিনটিতেই জয় পেয়েছে ভারত। এক ম্যাচ কম খেলে ভারত ২ নম্বরে। গতবারের রানার্স আপরা এবার কিন্তু চমকে দিচ্ছে।