ICC World Cup 2023: টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে বিরাট ব্যবধান আফগানদের, হসমতউল্লাহ-রশিদদের মাসিক বেতনের অঙ্ক কত?
চলতি ক্রিকেট বিশ্বকাপে একের পর পর এক চমক দিচ্ছে আফগানিস্তান। অথচ এই দেশটার নাম করলেই সবার মনে প্রথমেই ভেসে উঠে তালিবানি শাসন, সন্ত্রাস আর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে হারিয়ে পাঠানরা আগেই এশিয়ার ক্রিকেটের নতুন শক্তি হিসেবে আর্বিভূত হয়েছিলেন, এবার রশিদ খান ক্রিকেটের বিশ্বমঞ্চেও সাড়া ফেলে দিয়েছে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে খেলাধুলোর পরিবেশ প্রায় নেই। ক্রিকেট খেলার মতো কোনও আধুনিক পরিকাঠামোই নেই। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য অনুশীলন, সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন সেই সব ছিল না রশিদদের। এমনকি আর্থিক দিক থেকেও অনেকটাই পিছিয়ে রশিদ খান-মহম্মদ নবীরা?মাসে কত টাকা বেতন পান আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা? সেই তথ্যই তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কোনও তুলনাই করা যায় না আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। ফলে বিরাট রোহিতদের সঙ্গে আর্থিক বিষয়েও আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে আফগান ক্রিকেটারদের। আফগানিস্তান ক্রিকেট দলে সবচেয়ে বেশি বেতন পান তিনজন ক্রিকেটার। আসগর(টেস্ট দলের অধিনায়ক), নাওরোজ মঙ্গল এবং মহম্মদ নবী।
টেস্ট দলের অধিনায়ক আসগরের সঙ্গে বছরে ৮৪০০ মার্কিন ডলারের চুক্তি রয়েছে। মাসে তিনি বেতন পান ৭০০ মার্কিন ডলার। একই অনুপাতে বেতন পান নাওরোজ মঙ্গল এবং মহম্মদ নবীও। হসমতউল্লাহ শাহিদি, রশিদ খান বা রহমত শাহরা এই তালিকায় রয়েছে বেশ নীচের দিকে। বিশ্বকাপে আফগান অধিনায়ক হসমতউল্লাহের বার্ষিক বেতন ৪৮০০ মার্কিন ডলার।

বেতনের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও আয়ের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে রশিদ খান, মহম্মদ নবী, মুজিব উর রহমানরা। আইপিএলব ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন লিগে খেলেন এই তিন আফগান ক্রিকেটার, ফলে শুধু মাত্র ক্রিকেট বোর্ড থেকে প্রাপ্ত বেতন নয় লিগ থেকে প্রাপ্ত অর্থই রশিদের আয়ের বড় উৎস।

শুধু পরিকাঠামোগত সাহায্যই নয়, ভারত থেকে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল পেয়েছে আর্থিক সহযোগিতাও। ২০১৫ সালে প্রথমবার একদিনের বিশ্বকাপ খেলার ছাড়পত্র পায় আফগানিস্তান। এরপর ২০১৯ সালেও তাঁরা বিশ্বকাপে ,সুযোগ পায়। সেই সময় আফগান দলকে স্পনসর করে একটি ভারতীয় কোম্পানি।












Click it and Unblock the Notifications