ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন দাসুন শনাকা, অথৈ জলে জোড়া ম্য়াচে হারা শ্রীলঙ্কা
ICC World Cup 2023: শ্রীলঙ্কা চলতি বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্য়াচেই পরাস্ত হয়েছে। সোমবার লখনউয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নামার আগে জোর ধাক্কা খেল শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন অধিনায়ক দাসুন শনাকা (Dasun Shanaka)।
ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা আগেই চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছেন বিশ্বকাপ থেকে। তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়েছে। এবার শনাকার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল। ব্যাটে-বলে তাঁর অবদান মিস করবে শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার ম্যাচ ছিল গত মঙ্গলবার। সেই ম্যাচেই শনাকা চোট পেয়েছিলেন। স্ক্যান রিপোর্ট এলে দেখা যায় তাঁর উরুতে যে চোট লেগেছে তা সারতে অন্তত তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ফলে কোয়াড ইনজুরিই শ্রীলঙ্কা স্কোয়াডকে বড় ধাক্কা দিল। শনাকার মতো হার্ড হিটিং অলরাউন্ডারকে হারিয়ে কার্যত অথৈ জলে শ্রীলঙ্কা।
শনাকা ছিটকে যেতেই চামিকা করুণারত্নেকে দলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নেও অলরাউন্ডার। আইসিসি বিশ্বকাপের ইভেন্ট টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদনও মিলেছে। রিজার্ভ প্লেয়ার হিসেবে তিনি বিশ্বকাপ দলের সঙ্গেই রয়েছেন। অজিদের বিরুদ্ধে ম্যাচেই তিনি একাদশে ফিরতে পারেন।
করুণারত্নে গত এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলেছিলেন। এরপর আর শ্রীলঙ্কা দলের প্রথম একাদশে আসেননি। তবে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে করুণারত্নের ৬০টি ম্য়াচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২৩টি একদিনের আন্তর্জাতিকে ২৪টি উইকেট নিয়েছেন। ৪৪৩ রান রয়েছে। একটি হাফ সেঞ্চুরিও করছেন। শেষ ওডিআই খেলেছেন নিউজিল্য়ান্ডে, গত মার্চ মাসে।

এদিকে, শ্রীলঙ্কার সহ অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস চলতি বিশ্বকাপে ভালো ফর্মে রয়েছেন। শতরানও হাঁকিয়েছেন। শনাকার অনুপস্থিতিতে তাঁর হাতেই যেতে চলেছে ক্যাপ্টেন্সির ব্যাটন। দিল্লিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা হেরেছিল ১০২ রানে। সেই ম্যাচে মেন্ডিস ৪২ বলে ৭৬ করেন।
হায়দরাবাদে পাকিস্তান ১০ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল রেকর্ড রান তাড়া করে। শ্রীলঙ্কা ৩৪৪ রান তুলেছিল। সেই ম্যাচে মেন্ডিস ৭৭ বলে ১২২ রান করেন। পয়েন্ট তালিকায় এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কার অবস্থান সপ্তমে।
শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আগে এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পর শনাকার নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে জল্পনা ছিল। যদিও সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনাকার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা দলকে বিশ্বকাপ খেলতে পাঠানো হয়। কিন্তু দুই ম্যাচে হারার পরই চোট ছিটকে দিল সেই অধিনায়ককেই। একের পর এক তারকাকে হারানোর পর খারাপ পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন তথা ২০১১ সালের বিশ্বকাপে রানার-আপদের।












Click it and Unblock the Notifications