টি ২০ বিশ্বকাপ থেকেই আইসিসি চালু করছে 'ব্যাটার', পরিবার রাখার অনুমতি দিলেও করোনা এড়াতে কঠোর ব্যবস্থা

ব্যাটসম্যান নয়, ব্যাটার। এমসিসি ব্যাটসম্যান কথাটি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাকে স্বাগত জানিয়ে আইসিসিও সেই পথেই হাঁটতে চলেছে। ইতিমধ্যেই সব ক্ষেত্রে ব্যাটার হিসেবে ব্যবহারের চল শুরু হয়েছে। পাকাপাকিভাবে আইসিসি টি ২০ বিশ্বকাপেই ব্যাটসম্যান শব্দটি তুলে দিয়ে ব্যাটার শব্দ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে টি ২০ বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে আইসিসি।

টি ২০ বিশ্বকাপ থেকেই আইসিসি চালু করছে ব্যাটার

টি ২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন পরিবারের কয়েকজনকে ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাখার বিষয়ে ছাড় দিয়েছে আইসিসি। উপভোগ্য পরিবেশ তৈরি এবং ক্রিকেটারদের উপর মানসিক চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে পরিবারের সদস্যদের সকলকেই জৈব সুরক্ষা বলয়ের বিধি মেনে চলতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে না পারে সেজন্য বিশ্বকাপ চলাকালীন সর্বক্ষণ আইসিসি সাইকোলজিস্ট রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। ওমান ও আবু ধাবিতে বিশ্বকাপের খেলা মাঠে বসে দেখতে পাওয়ার অন্যতম শর্ত ভ্যাকসিনের দুটো ডোজ থাকতে হবে। তবে দুবাই ও শারজায় এতটা কড়াকড়ি নেই। কিন্তু দর্শকদের মাস্ক পরে মাঠে খেলা দেখা বাধ্যতামূলক। ক্রিকেটারদের কাছাকাছি যাতে ফ্যানেরা চলে আসতে না পারেন তাও নিশ্চিত করা হবে।

টি ২০ বিশ্বকাপ চলাকালীন কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তিনি যদি উপসর্গহীনও হন তাহলেও তাঁকে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকতেই হবে। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে কেউ এসেছেন কিনা তা নিশ্চিত হতেও কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। মাস্কবিহীন অবস্থায় করোনা আক্রান্তের চেয়ে ২ মিটার কম দূরত্বে কেউ ১৫ মিনিট থাকলে এবং তা যদি পরীক্ষা হওয়া বা উপসর্গ দেখা দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগেও হয় তাঁকে ক্লোজ কনটাক্ট হিসেবে ধরা হবে। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের আইসোলেশনে থাকতে হবে ৬ দিন। যদি মাস্ক পরিহিত অবস্থাতেও কেউ না জেনে করোনা আক্রান্তের কাছে এসে থাকেন তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে ২৪ ঘণ্টা, করোনা পরীক্ষা হবে এবং তেমন কিছু উদ্বেগজনক বিষয় না থাকলে তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হবে।

ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টে করোনা সংক্রমণের ভীতিতে ভারত খেলতে চায়নি। তেমনটা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী কোনও দলের ক্ষেত্রে হলে কী করণীয় তার প্রস্তুতিও সেরে রাখছে আইসিসি। কোনও দল বা ক্রিকেটারদের সংশয় বা ভীতি দূর করতে থাকছে বায়োসেফটি সায়ান্টিফিক অ্যাডভাইসরি গ্রুপ। বিশিষ্ট চিকিৎসকদের রেখেই গড়া হয়েছে বিএসএজি। আউটডোরে ক্রিকেট খেলায় সংক্রমণের ঝুঁকি কমই থাকে। টোকিও অলিম্পিকে যেমন করোনা সংক্রমণ বাধা হতে পারেনি, তেমনই টি ২০ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও কোনও সমস্যা হবে না বলে আত্মবিশ্বাসী আইসিসি। বিএসএজি প্রতিদিনই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আইসিসিকে বিশ্বকাপ আয়োজনে সাহায্য করবে এবং নানা পরামর্শ দিতে থাকবে।

যদি কোনও ক্রিকেটারকে চোট বা অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলেও যাতে জৈব সুরক্ষা বলয়ে তার প্রভাব না পড়ে সেজন্য ব্যবস্থা করেছে আইসি। ডেডিকেটেড বায়োসিকিওর হাসপাতালেই সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকে নিয়ে যাওয়া হবে সবরকম সুরক্ষাবিধি মেনেই। তবে জৈব সুরক্ষা বলয়ে নিয়ম মেনে থাকাকে যে আইসিসি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে তা জানিয়ে দিয়েছেন আইসিসির ইন্টিগ্রিটি ও বায়োসেফটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল। তিনি বলেন, আমরা আশাবাদী জৈব সুরক্ষা বলয় কেউ ভাঙবেন না। কারণ সকলেই জানেন এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। টিম ম্যানেজমেন্ট ও বিভিন্ন দলের সকলেই তা মেনে চলবেন বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সকলে নিয়ম মেনে শৃঙ্খলা বজায় রেখে চললেই জৈব সুরক্ষা বলয় ভাঙার আশঙ্কা থাকবে না। বিশ্বকাপ সুষ্ঠুভাবে উপভোগ করতে সকলে নিয়ম মেনেই থাকতে চাইবেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+