ICC CWC 2023: কুইন্টন ডি কক টপকে গেলেন বিরাট কোহলিকে, বিশ্বকাপে সেরা ইনিংসের তালিকার প্রথম দশে প্রোটিয়া ওপেনার
ICC CWC 2023: বিশ্বকাপে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে দ্বিশতরান করার আশা জাগিয়েছিলেন। ডাবল সেঞ্চুরি আসেনি। কিন্তু চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারীর তালিকার শীর্ষস্থানের দখল নিলেন কুইন্টন ডি কক।
আজ মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হাসান মাহমুদের বলে বড় শট নিতে গিয়ে ডি কক নাসুম আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। ১৫টি চার ও সাতটি ছয় দিয়ে সাজানো ১৪০ বলে ১৭৪ রানের ইনিংস খেলে।

চলতি বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে ৪০৭ রান করেছেন ডি কক। প্রথম ব্যাটার হিসেবে তিনি এবারের বিশ্বকাপে চারশো রানের গণ্ডি টপকালেন। বিরাট কোহলি ৫ ম্যাচে ৩৫৫, রোহিত শর্মা ৫ ম্যাচে ৩১১ ও মহম্মদ রিজওয়ান ৫ ম্যাচে ৩০২ রান করেছেন। ডি কক এদিন চলতি বিশ্বকাপের তৃতীয় শতরান পেলেন। যাঁরা এবারের বিশ্বকাপের শতরান পেয়েছেন তাঁদের কেউই ১টির বেশি সেঞ্চুরি করেননি।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপে দুটি দ্বিশতরান হয়েছিল। ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল ক্যানবেরায় জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৪৭ বলে ২১৫ করেছিলেন। ১০টি চার ও ১৬টি ছয়ের সাহায্যে। ১৩৮ বলে দ্বিতশতরানে পৌঁছন। যা বিশ্বকাপে দ্রুততম। বিশ্বকাপের আসরে গেইল প্রথম শতরানটি করেন। এরপর দ্বিশতরান করেন নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েলিংটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান করেন মার্টিন গাপটিল। কিউয়ি ওপেনার ২০০ রানে পৌঁছেছিলেন ১৫২ বল খেলে, ২১টি চার ও আটটি ছয়ের সৌজন্যে। নিউজিল্যান্ড তুলেছিল ৬ উইকেটে ৩৯৩ রান। গাপটিল ২৪টি চার ও ১১টি ছয়ের সাহায্যে ১৬৩ বলে ২৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

ডি কক আজ ১৭৪ রানে আউট হলেন। তাঁর কেরিয়ারের ব্যক্তিগত সর্বাধিক ১৭৮ রানের নজির টপকাতে না পারলেও বিশ্বকাপে এটিই তাঁর সেরা স্কোর। ২০১৫ ও ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে একটিও শতরান পাননি ডি কক। আজকের ইনিংস তাঁকে নিয়ে গেল বিশ্বকাপের সেরা ইনিংসগুলির তালিকার প্রথম দশে।
বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচে সর্বাধিক রানের তালিকার শীর্ষে রয়েছে মার্টিন গাপটিলের ২৩৭। তারপর ক্রিস গেইলে ২১৫। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্যারি কার্স্টেন রাওয়ালপিন্ডিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিরুদ্ধে ১৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টনটনে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে করেন ১৮৩।
১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে ভিভিয়ান রিচার্ডস করাচিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে করেন ১৮১। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে পারথে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ডেভিড ওয়ার্নার করেন ১৭৮। ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে টানব্রিজ ওয়েলসে কপিল দেব জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে মীরপুরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বীরেন্দ্র শেহওয়াগ করেন ১৭৫। বীরুর পরেই আপাতত রইলেন ডি কক। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে হারারেতে জিম্বাবোয়ের ক্রেগ উইশার্ট নামিবিয়া ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন ১৭২ রানে।












Click it and Unblock the Notifications