ICC CWC 2023: জয়ের বিসিসিআইয়ের চিন্তা বাড়াল আইসিসি? মিকি আর্থারের উপলব্ধি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত
ICC CWC 2023: ভারতের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর পাকিস্তানের টিম ডিরেক্টর মিকি আর্থার মুখ বাঁচাতে আজব তত্ত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য সমর্থন করেননি ওয়াসিম আক্রম, মঈন খানের মতো প্রাক্তন পাক অধিনায়করা।
যদিও মিকি আর্থারের বক্তব্য-সহ বিশ্বকাপ সংক্রান্ত যাবতীয় সমালোচনা পর্যালোচনার আশ্বাস দিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে।

আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে গ্যালারিতে ছিল নীল সমুদ্র। অর্থাৎ ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতি। শিকাগো থেকে আসা পাকিস্তানের সমর্থক বশির চাচা-সহ হাতে গোনা কয়েকজন পাকিস্তান সমর্থক সেদিন ছিলেন গ্যালারিতে। ম্যাচ চলাকালীন জয় শ্রীরাম গানও চলে, যাতে গলা মেলান দর্শকরা।
মিকি আর্থার ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, তাঁর মনেই হয়নি এটি আইসিসির কোনও ইভেন্ট হচ্ছে। দিল দিল পাকিস্তান গান ডিজেতে চালানো হয়নি। বিসিসিআইয়ের কোনও টুর্নামেন্ট বা দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ম্যাচ হচ্ছিল বলে নিদের উপলব্ধির কথা তুলে ধরেন আর্থার। সঙ্গে জোড়েন এটিকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করতে চান না।
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়করা অবশ্য সাফ জানিয়ে দেন, এমন মন্তব্য কোচের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত। কুলদীপ যাদবের স্পিন সামলানোর কোন রণকৌশল ছিল, কোন কোন কারণে এমনভাবে পরাজয় যেখানে পাকিস্তান লড়াই-ই দিতে পারল না, তা সবিস্তারে প্রকাশের দাবি উঠেছে পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে।
ওয়াসিম জাফরের মতো ভারতের প্রাক্তন তারকা আর্থারকে কটাক্ষ করে এক্স হ্যান্ডলে লেখেন যে, পাকিস্তান দেশের মাটিতে যে সিরিজগুলি সম্প্রতি হেরেছে সেখানে কি গ্যালারিতে ভারতীয় সমর্থকরা নীল জার্সি পরে বসে ছিলেন? নাকি সেখানকার ডিজে-ও পাকিস্তানের সমর্থকদের কথা ভেবে গান বাজাননি! ফলে আজগুবি তত্ত্বকে কেউ পাত্তা দিচ্ছেন না।

আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে মুম্বইয়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির সেশনে যোগ দিয়েছিলেন। তারই ফাঁকে বলেন, বিশ্বকাপ সবে শুরু হয়েছে। আমি এখনও আত্মবিশ্বাসী যে এটি অসাধারণ একটি বিশ্বকাপ হতে চলেছে। তবে আমরা সব কিছুই পর্যালোচনা করব। যাতে পরবর্তীকালে আরও উন্নত বিশ্বকাপ আয়োজন করা যায়।
বার্কলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যে ধরনের সমালোচনা হচ্ছে সেগুলি পর্যালোচনা করা হবে বিশ্বকাপ তথা ক্রিকেটের সামগ্রিক মানোন্নয়নের জন্য। কোথায় কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করা হবে। তারই মধ্যে আর্থারের বক্তব্যটিকেও আইসিসি যে গুরুত্ব দেবে, তা স্পষ্ট।
সংবাদমাধ্যমকে অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে যেমন অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে, তেমনই টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়ছে আইসিসি ও বিসিসিআই। আমেদাবাদে ভারত-পাক ম্যাচের টিকিট ঠিক কতগুলি বিক্রি হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট করেনি বিসিসিআই। ভারতের ম্যাচেও গ্যালারির সব আসন ভরছে না। বাকিগুলি তো বাদই দিন। টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সোল্ড আউট দেখানোর পরও কেন গ্যালারি ফাঁকা? এখনও সদুত্তর নেই।












Click it and Unblock the Notifications